শেয়ার ট্রেডিং-এর সেরা 7 ইন্ডিকেটর। টেকনিক্যাল অ্যানালিসিসের ব্রম্ভাস্ত্র

4.7/5 - (3 জন রেটিং করেছেন)

শেয়ার বাজারে ট্রেডিং করতে হলে টেকনিক্যাল অ্যানালিসিস করতে হয়। আর টেকনিক্যাল অ্যানালিসিস করার জন্য চার্ট প্যাটার্ন উদ্ধার করার পাশাপাশি দরকার পড়ে বিভিন্ন ইন্ডিকেটরের। এই ইন্ডিকেটরগুলো সংখ্যায় একটা দুটো নয়, প্রচুরররর। তবে তার মধ্যে গুটিকয়েকই সাধারণত বেশিরভাগ ট্রেডার ব্যবহার করে থাকে।

জনপ্রিয়, বহুলব্যবহৃত ও সব থেকে সেরা এধরণের ৭ টা ইন্ডিকেটর নিয়েই এই আর্টিকেলে কিছুক্ষন বকর বকর করব।

ইন্ডিকেটর কী?

শেয়ারের হিস্টোরিক্যাল প্রাইস, ট্রেডিং ভলিউম, ইন্টারেস্ট ইনফরমেশন ইত্যাদি তথ্যের ব্যবহার করে অনুসন্ধানমূলক বা গাণিতিক হিসেবের মাধ্যমে পাওয়া প্যাটার্ন ভিত্তিক সংকেতের চাক্ষুষ উপস্থাপনাই হচ্ছে ইন্ডিকেটর।

ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে পাওয়া তথ্যের উপর নির্ভর করে আগামীতে শেয়ারের দামের পরিবর্তন কিভাবে হতে পারে সেব্যপারে ইঙ্গিত বা ইন্ডিকেট করে এইসব ইন্ডিকেটর গুলো।

প্রাইস চার্ট দেখে চার্ট প্যাটার্ন শনাক্ত করার পাশাপাশি এক বা একাধিক ইন্ডিকেটর একসাথে প্রয়োগ করে একটা শেয়ার ওভারবট বা ওভারসোল্ড কন্ডিশনে আছে কিনা বুঝে নিয়ে সেই অনুযায়ী এন্ট্রি বা এক্সিট পয়েন্ট নির্ধারণ করতে এগুলোর ব্যবহার করা হয়।

ইন্ডিকেটরের ধরণ

প্রাইস চার্টের উপর প্রয়োগের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে ইন্ডিকেটরগুলোকে দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যথাঃ

  1. ওভারলেঃ প্রাইস চার্টের উপর সরাসরি যে সমস্ত ইন্ডিকেটরগুলোকে প্লট করা হয় সেগুলোকে ওভারলে ইন্ডিকেটর বলে। যেমনঃ মুভিং অ্যাভারেজ।
  2. আন্ডারলেঃ এগুলোকে চার্টের নীচে (সাধারণত) চার্ট থেকে আলাদা একটা অংশে প্লট করা হয়। এধরণের ইন্ডিকেটরের মান ০ থেকে ১০০-র মধ্যে অনবরত ওঠানামা বা ‘অসিলেট’ করে একটা সর্পিল লাইন তৈরি করে। তাই এগুলোকে অসিলেটর-ও বলে। উদাঃ আরএসআই।

ইন্ডিকেটরে যে তথ্যগুলো সবথেকে বেশি দরকার পড়ে

ক্লোজিং প্রাইসঃ চার্টের টাইম ফ্রেম অনুযায়ী নির্দিষ্ট টাইম ফ্রেমে বা নির্দিষ্ট সময় অন্তর শেয়ারের শেষ যে দাম থাকে সেটাকেই ক্লোজিং প্রাইস বলে। উদাহরণস্বরূপ, একদিনের টাইম ফ্রেমের চার্টে বাজার বন্ধের সময় শেয়ারের যে দাম থাকে সেটাই দৈনিক ক্লোজিং প্রাইস। একইভাবে ৫ মিনিটের চার্টে প্রতি ৫ মিনিট অন্তর শেষ দামই হলো ৫ মিনিটের ক্লোজিং প্রাইস। 

ট্রেডিং ভলিউমঃ চার্টের টাইম ফ্রেম অনুযায়ী নির্দিষ্ট টাইম ফ্রেমে বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যত সংখ্যক শেয়ার হাতবদল বা কেনাবেচা হয় সেই সংখ্যাটাকেই ট্রেডিং ভলিউম বলে।

সেরা ইন্ডিকেটর

#১ মুভিং অ্যাভারেজ (সিম্পল) – এমএ বা এসএমএ

মুভিং অ্যাভারেজের আক্ষরিক বাংলা অর্থ চলমান গড়। বিগত সময়ের ক্লোজিং প্রাইসের অ্যাভারেজ বা গড় সরে সরে চার্টের উপর যে লাইন তৈরি করে সেটাই মুভিং অ্যাভারেজ।

সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ
সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ

এটা একধরনের ওভারলে ইন্ডিকেটর। ক্যান্ডেলস্টিক চার্টের এক একটা ক্যান্ডেলে চারটে ডেটা পয়েন্ট থাকে, যথাঃ ওপেনিং, ক্লোজিং, লোয়েস্ট ও হায়েস্ট প্রাইস। আর এই ইন্ডিকেটরের জন্য কেবলমাত্র ক্লোজিং প্রাইস ব্যবহৃত হয়। লাস্ট কয়েকটা ক্যান্ডেলস্টিকের ক্লোজিং প্রাইসের গড় গুলোকে চার্টের উপর প্লট করে এই মুভিং অ্যাভারেজের লাইনটা পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ  সক্রিয় শেয়ার ট্রেডিং-এর 4 ধরণ। নতুন ট্রেডারদের এগুলো জানা চাই-ই-চাই।

যতগুলো ক্লোজিং প্রাইস ধরতব্যের মধ্যে রাখা হয় সেটাকে এর লেন্থ বলে। এবং যে টাইম ফ্রেমের চার্টে এটা প্লট করা হয় সেই টাইম ফ্রেম অনুযায়ী হিসেবটা হয়।

মুভিং অ্যাভারেজ লেন্থ
মুভিং অ্যাভারেজ সেটিংস্‌

উদাঃ দৈনিক টাইম ফ্রেমের চার্টে ১০০-এমএ মানে বোঝায় বিগত ১০০ দিনের ক্লোজিং প্রাইসের গড় গুলো নিয়ে এই ইন্ডিকেটরের লাইনটা তৈরি হয়েছে।

ব্যবহারঃ

শেয়ার বাজারে কম সময়ের ব্যবধানে শেয়ারের দাম মুহুর্মুহু ওঠানামা করে। এবং এই ওঠানামার ক্ষেত্রে আগে থেকে কিছু গণনা করা প্রায় অসম্ভবের পর্যায়ে পড়ে। কিন্তু চার্টের উপর গড় দামের এই এমএ লাইন প্লট করলে বিভিন্ন সময়ে গড় দামের পরিপ্রেক্ষিতে দাম কিভাবে ওঠানামা করে সেটা দেখে আগামীতে দাম কোনদিকে যেতে পারে সেব্যাপারে গণনা করা বা আন্দাজ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। এর লেন্থ যত বেশি হয় নির্ভরযোগ্যতা তত বাড়ে।

  • শেয়ারের দাম মুভিং অ্যাভারেজ লাইনের থেকে কত উপরে বা নীচে আছে তা দেখে কোনো এক মুহূর্তে শেয়ারটা কতটা ওভারবট বা ওভারসোল্ড কন্ডিশনে আছে সেব্যাপারেও একটা ধারণা পাওয়া যায়।
  • এই লাইনের সামগ্রিক গতিবিধির দিকের উপর নজর রেখে বাজারের ওভারঅল সেন্টিমেন্ট বা ট্রেন্ড বুলিশ নাকি বিয়ারিশ সেটাও বোঝা যায়।
  • আবার অনেক সময়েই এটা সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবেও কাজ করে।
  • অনেক ট্রেডার একটা শর্ট টার্ম (যেমন ৫০ দিনের) আর লং টার্মের (যেমন ২০০ দিনের) মুভিং অ্যাভারেজ একসাথে প্লট করে। তারপর যখন শর্ট টার্মের লাইনটা লং টার্মের লাইনটাকে নীচের দিক থেকে ক্রস করে উপর দিকে ওঠে সেটাকে বাই সিগন্যাল ধরে। আর এর উল্টো হলে, মানে শর্ট টার্মের লাইনটা লং টার্মের লাইনকে উপর দিক থেকে নিচের দিকে ক্রস করে নেমে আসে তখন সেটাকে সেল সিগন্যাল হিসাবে ধরে নেয়। 

#২ এক্সপনেন্সিয়াল মুভিং অ্যাভারেজ – ইএমএ

এটাও এক ধরণের মুভিং অ্যাভারেজ। তবে সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজের সঙ্গে এর তফাৎ হচ্ছে এটা গণনা করার ক্ষেত্রে সাম্প্রতিকতম ক্লোজিং প্রাইসের উপর বেশী জোর দেওয়া হয়। শেয়ারের দাম আগামীতে কী হতে চলেছে সেটা অনেক আগেকার দাম কেমন ছিল তার থেকে সাম্প্রতিক দামের উপর বেশী নির্ভর করে। তাই অনেকসময় এই ইএমএ-র থেকে পাওয়া সিগন্যাল এসএমএ-র সিগন্যালের থেকে বেশী কার্যকর হয়।

ইএমএ ও এসএমএ
ইএমএ বনাম এসএমএ

#৩ বলিঞ্জার ব্যান্ড

বলিঞ্জার ব্যান্ড মুভিং অ্যাভারেজের থেকে কিছুটা এক্সট্রা। এটাও মুভিং অ্যাভারেজের মতো একটা ওভারলে ইন্ডিকেটর। তবে এটা এমএ-র উপরে ও নীচে আরও ২টো অতিরিক্ত লাইন মিলিয়ে মোট ৩টে লাইন নিয়ে তৈরি। এই এক্সট্রা লাইন দুটো শেয়ারের দামের স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন (পজিটিভ ও নেগেটিভ) বোঝায়। গড় থেকে দাম যে পরিমাণে উপরে উঠতে বা নীচে নামতে পারে সেটাই স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন।

বলিঞ্জার ব্যান্ড
বলিঞ্জার ব্যান্ড

ভোলাটিলিটি যত বাড়ে তত বলিঞ্জার ব্যান্ডের প্রস্থ বাড়তে থাকে আর কমলে কমে। এই ব্যান্ড থেকে স্টকের ট্রেডিং রেঞ্জের একটা ধারণা পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ  শর্ট সেলিং-এর সাতকাহন। যখন শেয়ারের দাম কমলেও লাভ হয়…!

#৪ মুভিং অ্যাভারেজ কনভারজেন্স ডাইভারজেন্স – এমএসিডি

এটা একটা মোমেন্টাম ইন্ডিকেটর যেটা দুটো এক্সপনেন্সিয়াল মুভিং অ্যাভারেজ যথা 26 ইএমএ আর ১২ইএমএ-র মধ্যে সম্পর্কটা ফুটিয়ে তোলে।

এটা এক ধরণের আন্ডারলে ইন্ডিকেটর। এর মধ্যে দুটো লাইন থাকে, যথাঃ এমএসিডি লাইন আর সিগন্যাল লাইন। এমএসিডি লাইন হচ্ছে ২৬ ইএমএ আর 12 ইএমএ-র বিয়োগফল। আর সিগনাল লাইন হচ্ছে ৯ ইএমএ। কখনো কখনো এর মধ্যে একটা হিস্টোগ্রামও থাকে যার মাধ্যমে এমএসিডি আর সিগন্যাল লাইনের দূরত্বটা দেখানো হয়।

এর সাহায্যে ট্রেন্ডের পাশাপাশি মোমেন্টাম-ও বোঝা যায়।

এমএসিডি
এমএসিডি

ব্যবহারঃ

  • কনভারজেন্স মানে হচ্ছে দুটো লাইনের কাছাকাছি আসা আর ডাইভারজেন্স মানে দূরে সরে যাওয়া। এমএসিডি আর সিগন্যাল লাইন যখন ক্রমশ কাছাকাছি আসে তখন বোঝায় মোমেন্টাম কমছে আর উল্টোটা হলে বোঝায় মোমেন্টাম বাড়ছে।
  • এমএসিডি লাইন যখন সিগন্যাল লাইন কে উপর থেকে ক্রস করে নিচের দিকে আসে তখন সেটাকে বিয়ারিশ সিগন্যাল হিসেবে ধরা হয়, আর উল্টোটা হলে বুলিশ সিগন্যাল হিসেবে ধরা হয়।
  • এছাড়া এমএসিডি ০-র উপরে থাকলে বুলিশ ধরা হয় আর ০-র নীচে থাকলে বিয়ারিশ ধরা হয়।
  • লং টার্ম আপট্রেন্ডের ক্ষেত্রে যখন চার্টে শর্ট টার্মের জন্য দাম নীচের দিকে নামে এবং ক্রমাগত লোয়ার লো (lower low) বানাতে থাকে কিন্তু অন্যদিকে এমএসিডি হায়ার লো (higher low) বানাতে থাকে তখন বুলিশ ডাইভারজেন্স তৈরি হয় এবং এক্ষেত্রে ট্রেন্ডের পরিবর্তন হয়ে পুনরায় লং টার্ম বুলিশ ট্রেন্ডের দিকে দামের পরিবর্তন হতে পারে এটা ধরে নেওয়া যায়। এটা একইভাবে উল্টোদিকেও কাজ করে।

#৫ রিলেটিভ স্ট্রেন্থ ইনডেক্স – আরএসআই

এটা একধরণের মোমেন্টাম ভিত্তিক অসিলেটর ইন্ডিকেটর। শেয়ারের দামের পরিবর্তন কতটা এবং কত তাড়াতাড়ি হয় সেটা বোঝা যায় এই ইনডেক্স থেকে। এটাকে আন্ডারলে লাইন হিসাবে চার্টের নীচে প্লট করা হয়।

এর মান ০ থেকে ১০০-র মধ্যে হতে পারে। সাধারণত আরএসআই ৭০-র উপরে থাকলে ওভারবট আর ৩০-এর নিচে থাকলে ওভারসোল্ড কন্ডিশন হিসেবে ধরা হয়। তবে স্ট্রং ট্রেন্ডের সময় কখনো কখনো লম্বা সময় ধরে আরএসআই ৭০ উপরে বা ৩০ এর নিচেও থাকতে পারে।

আরএসআই
আরএসআই

এটা যখন সেন্টার লাইন মানে ৫০ ক্রস করে উপর দিকে ওঠে তখন পজিটিভ ও আপট্রেন্ড মোমেন্টাম ধরা হয় আর উল্টোটা হলে নেগেটিভ ও ডাউনট্রেন্ড মোমেন্টাম ধরা হয়।

এছাড়া এমএসিডি-র মতো শেয়ারের দামের সঙ্গে এর ডাইভারজেন্স থেকে ট্রেন্ড রিভার্সালও স্পট করা যায়।

#৬ স্টকাস্টিক অসিলেটর 

এটা আরএসআই-এর সাথে তুলনীয়। এটা একটা স্পেসিফিক ক্লোজিং প্রাইসের সাথে একটা সময় কালের মধ্যে দামের রেঞ্জের তুলনা করে।

আরও পড়ুনঃ  শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে ঝুঁকি কমানোর 10 উপায়। #3 সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ

এই ইন্ডিকেটর-এর দুটো লাইন থাকে, একটা এর প্রকৃত মান বোঝায় আর অন্যটা ৩ দিনের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ।

এটাও ০ থেকে ১০০-র মধ্যে অসিলেট করে এবং ৮০-র উপরে থাকলে ওভারবট ও ২০-র নীচে থাকলে ওভারসোল্ড জোন ধরা হয়।

স্টকাস্টিক অসিলেটর
স্টকাস্টিক অসিলেটর

#৭ ভলিউম

ভলিউম কী সেটা আগেই বলেছি। প্রধান চার্টের নীচে কলাম চার্ট হিসাবে প্লট করে এই ইন্ডিকেটর ব্যবহার করা হয়।

বাজারের বা ট্রেন্ডের শক্তি বোঝা যায় ভলিউম দেখে। এটা ট্রেন্ড বা প্যাটার্ন কনফার্ম করতে ব্যবহার করা হয়। শেয়ারের দাম বাড়ার সাথে সাথে ভলিউম বাড়লে সেটা আপট্রেন্ড কনফার্ম করে আর শেয়ারের দাম বাড়ার সাথে সাথে যদি ভলিউম কমে তাহলে সেক্ষেত্রে ট্রেন্ড রিভার্সাল হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

আর উল্টোদিকে শেয়ারের দাম কমার সাথে সাথে যদি ভলিউম বাড়ে সেক্ষেত্রে ডাউনট্রেন্ড কনফার্ম হয় কিন্তু শেয়ারের দাম কমার সাথে যদি ভলিউম ও কমে তাহলে সেক্ষেত্রে ট্রেন্ড রিভার্সাল হওয়ার বা আপট্রেন্ড শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

কখন ভলিউম বাড়ছে বা কমছে সেটা বোঝার সুবিধার জন্য এই ইন্ডিকেটরের উপর মুভিং অ্যাভারেজ (উদাঃ ১০ লেন্থের) লাগিয়ে নেওয়া যেতে পারে। অতঃপর এর মুভিং অ্যাভারেজ লাইন ক্রস করে যখনই ভলিউমের বড় বড় কলাম তৈরি হওয়া শুরু হবে তখনই ভলিউম বৃদ্ধি পাচ্ছে ধরে নেওয়া যাবে। আর উল্টো দিকে এই লাইন থেকে নীচে ছোটো ছোটো কলাম তৈরি হলে সেক্ষেত্রে ভলিউম কমে যাচ্ছে ধরে নেওয়া যাবে।

ভলিউম
ভলিউম

শেষ কথা

তাহলে এখানে খুব সংক্ষেপে সাতটা বহুল ব্যবহৃত ইন্ডিকেটরের ব্যাপারে জানতে পারলেন। কিন্তু ইন্ডিকেটরগুলোর ব্যাপারে জেনে নিলেই বা চার্টে লাগিয়ে নিলেই কিন্তু কাজ শেষ হয়ে যায় না। ইন্ডিকেটরের সিগন্যাল দেখে শেয়ার কেনাবেচার সঠিক সিদ্ধান্তটা নিতে পারলে তবেই শেখাটা সম্পূর্ণ হয়। আর সেটা করার জন্য প্রয়োজন প্রচুর স্ক্রিন টাইম এবং অভিজ্ঞতা।

ইন্ডিকেটরের সাথে সাথে নিজের চোখ এবং বোধ দুই-ই যখন এক ছন্দে কাজ করবে তখন বাজারের প্রবল বিশৃঙ্খলার মধ্যেও সুর খুঁজে পাওয়া যাবে…

এই বলে নিবন্ধটা এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকবেন।


প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)

একসাথে কতগুলো ইন্ডিকেটর ব্যবহার করা উচিৎ?

এটা নিজস্ব পছন্দ, ট্রেডিং স্টাইল বা স্ট্র্যাটেজির উপর নির্ভর করে। এমনিতে এর কোনো সীমা তো নেই, তবে অতিরিক্ত ইন্ডিকেটর সাহায্যের বদলে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

ইন্ডিকেটর ছাড়া কি ট্রেড করা যেতে পারে?

হ্যাঁ সম্ভব। অনেকেই এমন আছেন যারা পিওর প্রাইস অ্যাকশন, ট্রেন্ড লাইন ও সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্সের উপর ভিত্তি করেও ট্রেড করেন।

মন্তব্য করুন