কোন জিনিসগুলো অনলাইনে কেনা সহজ এবং লাভজনক অফলাইনের দোকানের থেকে?

4.8/5 - (5 জন রেটিং করেছেন)

সেই আদিম কাল থেকে দোকান বলতে আমরা কেবলমাত্র অফলাইনের দোকানকেই বুঝতাম। আর প্রয়োজনের বিভিন্ন জিনিসপত্র কেনার জন্য ওই সমস্ত দোকানেই আমরা যেতাম। তবে যেতাম বললে ভুল হবে, এখনো যাই। কিন্তু যুগের সাথে সাথে দোকান আর আমাদের কেনাকাটার অভ্যাস দুইই বদলেছে। এখন দোকান দু ধরনের হয় অফলাইনের আর অনলাইনের। অনলাইনের দোকান বলতে বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা অ্যাপগুলোকেই বোঝায় আর কি।

বিগত কয়েক বছর ধরে ইন্টারনেটের বাড়বাড়ন্তের সাথে সাথেই অফলাইনের দোকানের পাশাপাশি ধীরে ধীরে অনলাইনের শপিং সাইটগুলোর ব্যবহারও ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। তবে সাধারণত কিছু জিনিসের ক্ষেত্রে অনলাইনের দোকানগুলো ভালো হলেও কিছু ব্যাপারে এখনও অফলাইনের দোকান-ই সেরা।

তো এই আর্টিকেলে আমরা জানব কোন কোন ধরনের জিনিসগুলো অফলাইনের দোকানের থেকে অনলাইনে কেনা বেশি সুবিধাজনক এবং লাভজনক।

মোবাইল ফোন

মোবাইল ফোন — কি যে একটা অসাধারণ কিন্তু ভয়ানক আবিষ্কার সেটা এক্সপ্লেইন করা খুবই কঠিন। কিন্তু ভালো হোক খারাপ হোক আজকের দিনে এটাকে উপেক্ষা করার আর কোনো জায়গা নেই। একটা বয়স পার হলে বিভিন্ন আইডি কার্ডের মত মোবাইলটাও সকলের জন্যই একটা অত্যাবশ্যক জিনিস হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া যে অনলাইনে শপিং-এর কথা হচ্ছে সেটাও বেশীরভাগ সময় এই মোবাইল ব্যবহার করেই করা হয়। আর সকলেরই প্রয়োজন পড়ছে বলেই বিগত কয়েক বছরে এর বিক্রি বেড়েছে বহুগুণ। তবে এটার বিক্রি বাটোয়ার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে অফলাইনের দোকানগুলো থেকে অনলাইনের শপিং ওয়েবসাইটগুলো অনেক ধাপ এগিয়ে গেছে।

তো এই মোবাইল ফোন কিনতে চাইলে অনলাইনের বড় বড় ই কমার্স ওয়েবসাইট, যেমন ফ্লিপকার্ট বা অ্যামাজনের কোনো বিকল্প হয় না। কারণ,

  • দাম সাধারণত অনেক কম হয় অফলাইনের দোকানের থেকে। বিশেষ করে বড় বড় সেলগুলোর সময় তো অবিশ্বাস্য কম দামে পাওয়া যায়। এমআরপি-তে ডিসকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ডের ডিসকাউন্ট, রেফারাল ডিসকাউন্ট মিলিয়ে মোটা ছাড় পাওয়া যায়।
  • কেনার পরই 10 দিনের মধ্যে কোনোরকম সমস্যা হলে রিপ্লেস বা রিটার্ণ করা যায় যেটা অফলাইনে সম্ভব হয়না। এবং অফলাইনে কেনার ক্ষেত্রে সার্ভিস সেন্টারে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনও গতি থাকেনা।
  • কিছু কিছু ফোন আবার কেবলমাত্র অনলাইনেই পাওয়া যায়।
  • সহজেই ইএমআই বা নো কস্ট ইএমআই এর সুবিধা নেওয়া যায়।

আমি বিগত কয়েক বছরে আমার ও আত্মীয়পরিজনদের মিলিয়ে 15 টার ও বেশি ফোন কিনেছি। ছাড়ের সময় ফ্ল্যাগশিপ ফোন গুলোও নাগালের মধ্যে পাওয়া যায়। এক বছর আগের বিগ বিলিয়ন ডে-র সময় স্বাভাবিকভাবে সেসময়ে 65 হাজার টাকায় উপলব্ধ আইফোন 12 আমি কার্ড ও অন্যান্য ছাড় বাদে 42000 টাকায় কিনেছিলাম ফ্লিপকার্ট থেকে। স্যামসাংয়ের ফ্ল্যাগশিপ গ্যালাক্সি এস-8 একটু পুরোনো হওয়ার পর 27 হাজার টাকায় কিনেছিলাম। এভাবে ফোন কেনার সুযোগ না থাকলে আমার ফ্ল্যাগশিপ মোবাইল ফোন ব্যবহার করার শখ হয়তো কোনদিনই পূরণ হতো না।

আরও পড়ুনঃ  ক্রেডিট কার্ড থেকে ক্যাশ টাকা তুলবেন? এগুলো না জানলে কিন্তু বিশাল ক্ষতি

অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স আইটেম

অন্যান্য ইলেকট্রনিক্সের জিনিস যেমন ধরুন ট্যাব, ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও এই সম্পর্কিত জিনিস, স্মার্টওয়াচ, স্পিকার, হেডফোন, ক্যামেরা ইত্যাদিও অনলাইনে কেনাই বেশি লাভজনক। এক্ষেত্রে অন্যান্য সুবিধাগুলোর সাথে ছাড় পাওয়া যায় ভালোই। কয়েকটা উদাহরণ থেকেই বুঝতে পারবেন…

  • নিকনের একটা ডিএসএলআর অফলাইনের শোরুম এবং কলকাতার মেট্রো গলিতে দাম করার পর অবশেষে ফ্লিপকার্টে অফলাইনের সর্বনিম্ন দামের থেকেও 4 হাজার টাকা কমে পেয়েছিলাম। সেটা আবার সামান্য কারনে খুব সহজেই রিপ্লেস-ও করেছিলাম।
  • এলজি-র একটা 32 ইঞ্চি 2K কম্পিউটার মনিটার যেটার সাধারণ দাম সেসময়ে 25000-এর আশেপাশে থাকত, সেটা 18000-এ নো কস্ট ইএমআই-তে কিনেছিলাম।
  • সনি-র প্রিমিয়াম হেডফোন (XM-3) যেটা সাধারণত সেসময়ে 20000-এর আশেপাশে থাকত, সেটা আমি 12500 টাকায় কিনেছিলাম।
  • একবার আই বলের একটা ছোট্ট ডেস্কটপ স্পিকার মাত্র 200 টাকায় কিনেছিলাম।
  • 750 টাকায় লজিটেকের ওয়ারলেস কীবোর্ড ও মাউস কিনেছিলাম।

এরকম উদাহরণ প্রচুর দিতে পারি কিন্তু কেমন সস্তা হতে পারে সেটা আশাকরি বোঝাতে পেরেছি। এধরনের বেশীরভাগ জিনিসই আমি সাধারণত অ্যামাজন থেকে কিনি। আর অ্যামাজন থেকে ব্র্যান্ডেড জিনিস খুব সস্তায় কেনার সম্পর্কে বিশদে জানতে ← এই লিঙ্কটা ফলো করতে পারেন।

টিভি ও অন্যান্য অ্যাপ্লায়েন্স

বিভিন্ন ব্রান্ডের বিভিন্ন সাইজের টিভি, ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মিক্সার গ্রাইন্ডার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, কিচেন চিমনি, ওয়াটার পিউরিফায়ার, পাখা, ইস্তিরি ইত্যাদি ক্ষেত্রেও অনলাইনে কেনাই ভালো।

এ ধরনের জিনিস কেনার সময় মনে হতে পারে বড় বড় জিনিস কেমন কি হবে সেটা সামনাসামনি দেখে কেনাই ভালো। বা অনলাইনে অর্ডার করলে কিভাবে কি ডেলিভারি আসবে বা ইনস্টলেশন হবে সে বিষয়ে একটা সংশয় থাকতে পারে।

কিন্তু আজকের দিনে অনলাইনে এসব বড় বড় এপ্লায়েন্স অর্ডার করা কোন সমস্যাই নয়। এবং ওদের ডেলিভারি ইনস্টলেশন সবই একদম সিমলেস। অর্ডার করার পর ডেলিভারি এবং ইনস্টলেশন এর ব্যাপারে ইন্সট্রাকশন দিয়ে দেওয়া যায় বা ওয়েবসাইট এর পক্ষ থেকেই যোগাযোগের মাধ্যমে করে দেওয়া হয়। আমি নিজে অনলাইনে অনেক কিছু অর্ডার করেছি এবং কোনো রকম কোনো সমস্যা ফেস করিনি।

অনলাইনে কেনার সুবিধা হচ্ছে যেমন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের জিনিস পাওয়া যায় তেমন দামও হয় সহজলভ্য।

এই কয়েক মাস আগেই স্যামসাংয়ের একটা 32 ইঞ্চি স্মার্ট টিভি আমি মাত্র 9500-তে কিনেছি। এই দামে অফলাইনে স্যামসাংয়ের স্মার্ট টিভি আপনি কোনদিনই পাবেন না। একবার ক্যারিয়ারের একটা এসি নিয়েছিলাম অফলাইনের থেকে 5000 টাকা কমে। কেন্ট-এর বড় আর-ও ওয়াটার পিউরিফায়ার 10000 টাকায় কিনেছিলাম। ক্রমটনের একটা সিলিং ফ্যান যেটা অফলাইনে 2700 টাকা বলেছিল সেটা আমি ফ্লিপকার্টে 1800 টাকায় কিনেছিলাম। একবার মরফি রিচার্ডসের একটা বেসিক ইস্তিরি 200 টাকায় কিনেছিলাম। এছাড়াও ওয়াশিং মেশিন, ফ্রিজ, মিক্সার গ্রাইন্ডার ইত্যাদিও আমি অনলাইনেই কিনেছি এবং অনেক লাভবানও হয়েছি।

আরও পড়ুনঃ  অনলাইনে কেনাকাটা করা যখন নেশা হয়ে যায়…

ফ্যাশন আইটেম

যদি ব্র্যান্ডেড ফ্যাশন আইটেম কিনতে চান সেক্ষেত্রে অনলাইনেই অনেক বেশি ছাড়ে পাওয়া যায়। শপিংমল বা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুমের থেকে ব্র্যান্ডেড আইটেম সবথেকে সস্তায় কিন্তু ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোতেই পাওয়া যায়। তবে সবথেকে বেশি ছাড়ে পেতে হলে আপনাকে কিছু কায়দা জানতে হবে। বেশি ছাড়ে ফ্যাশন সংক্রান্ত জিনিস কেনাকাটার জন্য অনলাইনের সেরা 5টা ওয়েবসাইট ও সেগুলোর সুবিধা-অসুবিধার ব্যাপারে ← এখানে জানতে পারবেন। এছাড়াও অনলাইনে কেনাকাটার সময় ছাড়ের ব্যাপারে বিবিধ তথ্য সম্বলিত আর্টিকেল  ← এখানে পাবেন।

আমি একবার বিগবাজারের একটা বাচ্চাদের জামা অ্যামাজনে পেয়েছিলাম 300 টাকায়। একই জামা একই সময়ে আমি বিগ বাজারের শোরুমে গিয়ে চেক করে দেখেছিলাম, দাম ছিল 500 টাকা। একই জিনিস দেখা যায় রিলায়েন্স ট্রেন্ডসের ক্ষেত্রেও। ওদের নিজেরই শোরুমের একই জামা বা একই ধরনের জামা ওদের নিজস্ব ওয়েবসাইট আজীওতে অনেক কম দামে পাওয়া যায়। একইভাবে আমি ম্যাক্স এর বিভিন্ন জামাও অ্যামাজনে অনেক কম দামে পাই। এছাড়া অ্যামাজন-ফ্লিপকার্ট থেকে টাইটানের ঘড়ি 75% ছাড়ে, উডল্যান্ডসের জুতো 70% ছাড়ে এবং কাপ্রেসির ব্যাগ 80% ছাড়ে কিনেছি। বিভিন্ন ব্র্যান্ডেড আন্ডারওয়্যারও অনেক ডিসকাউন্টে পাওয়া যায় এইসব ওয়েবসাইটেই। আর উদাহরণ দিয়ে কথা বাড়াচ্ছি না। আশা করি এতক্ষণে ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়ে গেছে।

তবে উপরে যা যা বললাম সেগুলো সবই ব্র্যান্ডেড আইটেমের ক্ষেত্রে। নন ব্র্যান্ডেড কোনো জিনিসের ক্ষেত্রে কিন্তু এইসব ওয়েবসাইটগুলো ততটা ভরসাযোগ্য নয়। এ ধরনের জিনিসের ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতাও ভালো নয়। নন ব্র্যান্ডেড ভালো জিনিস কিনতে চাইলে আমার মতে অফলাইনে দেখে শুনে কেনাই ভালো।

ফার্নিচার ও বাড়ির অন্যান্য জিনিস

ফার্নিচারও আমি বলবো লোকাল দোকান থেকে দেখেশুনে কেনাই ভালো। অ্যামাজন থেকে সস্তায় একটা সলিমোর প্লাই-এর ওয়ারড্রব নিয়েছিলাম। কিন্তু জিনিসটা একদমই ভালো ছিল না।

তবে এক্ষেত্রেও ব্র্যান্ডেড জিনিস হলে অফলাইনের সঙ্গে অনলাইনের দাম পরখ করে ট্রাই করা যেতেই পারে।

তবে বাড়ির অন্যান্য জিনিস কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনলাইনে সস্তা ও সুখাদ্য হতে পারে। যেমন ধরুন রেমন্ডসের বেডশীট অনেক সময় অনেকটা ছাড়ে পাওয়া যায়।

বিউটি ও কসমেটিকস আইটেম

এক্ষেত্রেও আমার অভিজ্ঞতাটা মিক্সড। এমনিতে সাবান, শ্যাম্পু, তেল বা সাজের অন্যান্য জিনিসপত্র অনলাইনেই কম দামে পাওয়া যায়। তবে অনেক সময় নকল বা পুরোনো আইটেম চলে আসে। বা অনেক সময় পছন্দমত রং বা ভেরিয়ান্ট টা পাওয়া যায় না।

আরও পড়ুনঃ  এভাবে ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করে 2000 টাকা পর্যন্ত উপহার পান

তবে এক্ষেত্রে চয়েস ও আসল জিনিসের জন্য নায়িকার সুনাম আছে। তবে দামটাও আবার ওখানে অন্যান্য ই-কমার্স ওয়েবসাইটের থেকে বেশি হয়।

বইপত্র

মোবাইল, ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে বইয়ের প্রতি অবহেলা মনে হয় দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর আমাদের এই অবহেলা ওয়েবসাইটগুলোতেও প্রতিফলিত হচ্ছে। অনলাইনে বই কেনার প্রধান সমস্যা হচ্ছে বেশিরভাগ বই আপনি ওখানে পাবেনই না। তবে যেগুলো পাওয়া যায় সেগুলো অনেক সময় অনেকটা ডিসকাউন্টেই পাওয়া যায়।

আর বাংলা বইয়ের কথা যদি বলেন অনলাইনে সেটা প্রায় অস্তিত্বহীন। এ ব্যাপারে কলেজ স্ট্রিটই সেরা। বই এর কালেকশনে কলেজ স্ট্রিটের ধারে কাছেও নেই এইসব কেনাকাটার ওয়েবসাইট বা অ্যাপগুলো।

খেলনা

বেশিরভাগ খেলনার জন্য অফলাইনের দোকানগুলোই সেরা। অনলাইনে অনেক খেলনার দামই বেশি হয়।

গ্রোসারী আইটেমস বা মুদিখানার জিনিসপত্র 

এক্ষেত্রে সব জিনিস নয় তবে অনেক জিনিস যেমন ধরুন তেল, ডাল, চাল, বিস্কুট, চা-কফি, পাস্তা, সস, মেয়োনিজ, কনফ্লেক্স, ওটস ইত্যাদি ওয়েবসাইটগুলোতে কম দামে পাওয়া যায়। আর অনলাইনে সবথেকে বেশি ছাড়ে গ্রোসারী আইটেম কোথায়, কখন ও কিভাবে পাবেন ← সেটা এখানে জানতে পারবেন।

পার্সোনাল জিনিসপত্র

স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং বেবি ডায়াপার প্যান্টও অ্যামাজন-ফ্লিপকার্টেই অনেক কম দামে পাওয়া যায়। তবে হয়তো বেস্ট ডিল পাওয়ার জন্য আপনাকে সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে।

এমনকি কনডম, লুব্রিকেটিং জেল ইত্যাদিও অনেক ডিসকাউন্টে পেতে হলে আপনাকে অনলাইনেই অর্ডার করতে হবে। এবং প্রাইভেসি যদি আপনার চিন্তা হয় সে ক্ষেত্রেও বলে রাখি, ওরা এগুলো কালো প্লাস্টিকে মুড়ে প্রাইভেসি মেন্টেইন করেই ডেলিভারি করে। তাছাড়া যদি প্রাইভেসিই ইস্যু হয় সেক্ষেত্রে তো বলব অফলাইনের দোকানে বলে এসব কেনার থেকে টাচ টাইপ করে অর্ডার করাটা বেশি প্রাইভেট, তাই না!

শেষ করার আগে…

শেষ করার আগে বলবো আমার কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজে অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট খুলে জিনিসপত্রের দাম গুলো চেক করুন এবং একই জিনিসপত্রের দাম আপনি অফলাইনের দোকানেও পরখ করে দেখুন। তাহলেই আসল জিনিসটা আপনার চোখের সামনে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

যাইহোক এখানেই তাহলে শেষ করছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন আর্টিকেলে। গুপ্তধন ডটকমের আপডেট পাওয়ার জন্য বেল আইকন থেকে নোটিফিকেশন অন করে রাখতে পারেন। ভালো থাকবেন। টা টা।🙂

মন্তব্য করুন