ব্যাপকভাবে সফল ট্রেডারদের 7 অভ্যাস। জানতে হবে নয়তো পিছিয়ে পড়তে হবে

5/5 - (3 জন রেটিং করেছেন)

“আমরা সবার প্রথমে আমাদের অভ্যাস তৈরি করি এবং তারপর আমাদের অভ্যাস আমাদের তৈরি করে!”

-জন ড্রাইডেন

সবাই বিশাল প্রতিভা নিয়ে জন্মায় না। আর তাতে তেমন কিছু এসেও যায়না। কারণ, সিংহভাগ মানুষের সফলতা প্রতিভা থেকে আসেনা বরং আসে অদম্য ইচ্ছা, জেদ, পরিশ্রম এবং ধারাবাহিকতা থেকে। আর এই সফলতার সফরে বেলাইন হওয়া থেকে বাঁচায় কিছু ভালো অভ্যাস।

আমাদের জীবনে আমরা কী করব আর আমাদের জীবন কেমন চলবে তার পেছনে আমাদের অভ্যাসের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন গড়পড়তা মানুষ যেখানে ভালো কিছু অভ্যাস রপ্ত করে জীবনে অনেক দূর যেতে পারে, সেখানে কিছু বাজে অভ্যাস একজন গুণী মানুষের জীবনেও নৈরাশা ডেকে আনতে পারে।

শেয়ার বাজারে ট্রেডিং-এর ক্ষেত্রে এই কথাটা অনেক বেশি প্রযোজ্য। কারণ সফলভাবে ট্রেডিং করা মানে আসলে কিছু অভ্যাসেরই বারংবার পুনরাবৃত্তি করা। সফল ট্রেডাররা সব সময়েই অন্যান্য ট্রেডারদের তুলনায় এক পা এগিয়ে থাকে। আর এর পিছনে আসল কারণ তাদের রপ্ত করা কিছু বিশেষ অভ্যাস।

সফল ট্রেডার হতে গেলে যারা ইতিমধ্যে সফল তাদের ট্রেডিং সম্পর্কিত অভ্যাসগুলো সম্পর্কে জানা ও বোঝা খুবই জরুরী। আর এই নিবন্ধে আমরা সেটাই করব…

ট্রেডিং আর অভ্যাস

উইকিপিডিয়া অনুসারে, ‘অভ্যাস গঠন এমন একটা প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটা আচরণ নিয়মিত পুনরাবৃত্তির দ্বারা স্বয়ংক্রিয় অথবা স্বভাব সিদ্ধ হয়ে যায়।’ ট্রেডিং এর পুরো প্রক্রিয়াটাই ভীষণভাবে অভ্যাস নির্ভর। একদিকে এর ধাপগুলো যেমন স্বভাবসিদ্ধ করতে হয় তেমনই অন্যদিকে সেগুলো ঠিকঠাক ভাবে সম্পাদন করার জন্য আরও কিছু অভ্যাস রপ্ত করতে হয়।

ভালো ভাবে ট্রেড করতে প্রয়োজনীয় যে সমস্ত অভ্যাসগুলো প্রায় সমস্ত সফল ট্রেডারদের মধ্যে দেখা যায় সেগুলো নিচে দেওয়া হল…

#১ সফল ট্রেডাররা ভালো ট্রেড পাওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে

কিংবদন্তী বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট একবার বলেছিলেন, “শেয়ার বাজার অধৈর্যের থেকে ধৈর্যশীলের কাছে টাকা হস্তান্তরের একটা ফন্দি!” যারা এখানে সঠিক সুযোগ আসা পর্যন্ত বা সঠিক ট্রেডের জন্য অপেক্ষা করে তারা প্রচুর টাকা কামায়। আর অন্যদিকে যারা বাই/সেল বাটন টেপার জন্য উদগ্রীব হয়ে বসে থাকে তারা শুধু লস করে যায়।

নতুন ট্রেডাররা সবসময়েই পরের ট্রেডটা নেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে। বারংবার ট্রেড করার মধ্যে যে একটা উত্তেজনাপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় সেটা তারা খুবই উপভোগ করে। আর অন্যদিকে পেশাদার ট্রেডাররা উত্তেজনা বা আনন্দের জন্য শেয়ার বাজারে আসে না। তাদের এক এবং একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে টাকা কামানো।

আরও পড়ুনঃ  শেয়ার বাজারের 11টা সেক্টর বা ক্ষেত্র। বিনিয়োগের আগে জানতেই হবে

ঠিক যেমন একজন ভালো ফটোগ্রাফার একটা পারফেক্ট মুহূর্তের জন্য লম্বা সময় ধরে অপেক্ষা করে, তেমনই পেশাদার ট্রেডাররাও নিখুঁত সুযোগের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা এমনকি কখনোও দিনের পর দিন অপেক্ষা করে তবে ট্রেড নেয়। ট্রেডিং বাইরে থেকে খুবই রোমাঞ্চকর মনে হলেও আসলে এটা খুবই বোরিং। কারণ প্রকৃত ট্রেডিং মানে আসলে ঐ দারুণ সুযোগের অপেক্ষায় বেশীরভাগ সময়টাই স্ক্রীনের সামনে ফ্যাল ফ্যাল করে থাকিয়ে থাকা।

কেউ কেউ আবার টানা স্ক্রীনের দিকে তাকিয়ে থাকাটাও পছন্দ করে না। কারণ এতে চাপ বাড়ে আর ট্রেড নেওয়ার লোভ সম্বরণ করা কঠিন হয়ে যায়! তার বদলে সেটআপ অনুযায়ী অ্যালার্ট সেট করে টার্মিনাল থেকে সরে যায়। আর অ্যালার্ট ট্রিগার করলে তবেই ট্রেড নেয়।

#২ যেটা নিয়ন্ত্রনের বাইরে সেটা নিয়ে তারা মাথা ঘামায় না

উদ্বাগান্বিত হওয়ার মতো ঘটনা দুই ধরণের হয়। এক, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে এবং দুই, যা আমরা নিয়ন্ত্রন করতে পারি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে যা আমাদের হাতে নেই তার জন্য উদ্বেগান্বিত হয়েও কোনো লাভ হয়না। তার বদলে যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব সেদিকে ফোকাস করলে আসল কাজটা আরও ভালো ভাবে করা যেতে পারে।

এই যেমন ধরুন বর্ষায় যখন তখন বৃষ্টি হতে পারে। এবং সেটা আমাদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে। এসময়ে কোনো কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে বেরোনোর আগে কখন বৃষ্টি হবে সেব্যাপারে চিন্তা করে বসে রইলে কাজটা হয় সম্পাদনই হয়না বা হলেও ভুল্ভ্রান্তি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর বদলে একটা ছাতা নিয়ে বেরোলেই (যেটা আমাদের নিয়ন্ত্রনের মধ্যে) কিন্তু সমস্যাটার সমাধান হয়ে যায়। আর অনর্থক উদ্বেগের কারণে যে কাজটা ব্যাহত হচ্ছিল সেটাও ঠিকঠাক ভাবে করা হয়ে যায়।

নতুন ট্রেডাররা ট্রেড নেওয়ার পর বাজার কোন দিকে যাবে বা কত লাভ-লস হবে এই নিয়ে বেশী চিন্তিত থাকে। এগুলো আমাদের হাতের বাইরে থাকে এবং এব্যাপারে ভেবে কোনো লাভ হয়না। বরং এই অনর্থক বিষয়ে মনোযোগ দিতে গিয়ে আসল কাজটা, মানে ট্রেডিং-এর কার্যধারায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

আর অন্যদিকে সফল ট্রেডাররা ঠিক এর উল্টোটা করতে অভ্যস্ত থাকে। তাদের ফোকাস থাকে যে বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রন করা যায় সেই বিষয়গুলোর উপর। যেমন ধরুন কখন ট্রেড করা উচিত বা অনুচিত হবে, কত ক্যাপিটাল ব্যবহার করা ঠিক হবে, কখন আরো পজিশন যোগ করতে বা কমাতে হবে, কখন ট্রেড ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে ইত্যাদি।

এভাবে নিয়ন্ত্রণ যোগ্য বিষয়গুলোর উপর ফোকাস করে তারা তাদের সব থেকে বেশি দক্ষতার সাথে ট্রেড করতে পারে এবং ফলস্বরূপ নেওয়া ট্রেডগুলো লাভজনক হওয়ার সম্ভাবনাটাও বাড়ে।

#৩ সফল ট্রেডাররা এন্ট্রির আগেই এক্সিট প্ল্যান করে

মহাভারতে অভিমন্যু চক্রব্যূহতে কিভাবে ঢুকতে হয় সেটা জানত কিন্তু ঢোকার পর কিভাবে বেরোতে হবে সেটা তার কাছে অজানা ছিল। আর এর অন্তিম পরিণতি খুবই করুণ হয়েছিল।

যুদ্ধের সময় চক্রব্যূহে ঢোকার আগে বেরোনোর বিষয়ে পরিকল্পনা করার কোন সুযোগ অভিমন্যুর ছিল না। কিন্তু ট্রেডারদের ট্রেড করার সময় এই অপশন সব সময়ই থাকে। যেকোনো ট্রেড যেকোনো সময়ে চক্রব্যূহের মতো ধাঁধায় পরিণত হতে পারে। আর সেজন্যই ট্রেড শেষ করার এক্সিট প্ল্যান আগে থেকেই রেডি রাখতে হয়।

আরও পড়ুনঃ  শেয়ারের দাম এত কমে-বাড়ে কেন বলুন তো? জানলেই লাভ পাবেন

কিন্তু তা সত্ত্বেও নতুন ট্রেডাররা কোনো পোক্ত এক্সিট প্ল্যান ছাড়াই অনেক সময়ই অহরহ ট্রেড করতে থাকে। এবং ট্রেড শেষ করার যথাযথ পরিকল্পনা থাকে না বলেই যখন একটা ট্রেড প্রত্যাশিত দিকে যায় না তখন তারা ইমোশনাল হয়ে পড়ে এবং ভুল ট্রেড থেকে বেরিয়ে আসার বদলে তারা আরও বেশি বেশি করে চক্রব্যূহের ধাঁধায় জড়িয়ে পড়ে।

লুজিং ট্রেডে আরো পজিশন যোগ করে অ্যাভারেজিং করার ফলস্বরূপ একসময় সবকিছু হাতের বাইরে চলে যায় এবং যেটা খুব সামান্য লসে শেষ হতে পারতো সেটা একটা বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে যায়। অনেক সময় এ ধরনের একটা বড় ভুল পুরো ক্যাপিটাল তছনছ করে দিতে পারে কিংবা একজনের ট্রেডিং কেরিয়ার চিরকালের জন্য শেষ করে দিতে পারে।

তাই পেশাদার ট্রেডাররা এক্সিট প্ল্যানের গুরুত্বটা ভালো করেই বোঝে। আর তারা এন্ট্রি নেওয়ার আগেই সমস্ত রকম পরিস্থিতির সাথে মোকাবিলা করার জন্য এক্সিট প্ল্যান তৈরি রাখে।

#৪ তারা কোনো ট্রেডকেই বিশ্লেষণ করতে ছাড়েনা

যুক্তি ও বিজ্ঞান বলে পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হয়। আর ভুলের মধ্যে দিয়েই যেকোনো সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়। এটাই সর্বৈব সত্যি।

কিন্তু নতুন ট্রেডাররা এই বিষয়টা বুঝতেই চায় না। তারা পুরনো ট্রেড, বিশেষ করে যেগুলো ক্ষতির কারণ হয়েছিল সেগুলোর কথা মনেই রাখতে চায় না। কারণ সেগুলো কিছু অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দেয়। কিন্তু অতীতের কথা মনে রাখতে চায়না বা অতীত থেকে শিক্ষা নেয়না বলেই তারা বারংবার একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করে বসে।

অন্যদিকে সফল ট্রেডাররা তাদের পুরনো ট্রেড, বিশেষ করে যেগুলোয় লস হয়েছিল, সেগুলোর বিশ্লেষণ করা খুবই পছন্দ করে। কারণ পুরনো লুজিং ট্রেড গুলো বিশ্লেষণ করে তারা বুঝতে পারে ভুলটা কোথায় হয়েছিল। এবং সেই অনুযায়ী তারা তাদের ট্রেডিং প্ল্যানে খুঁটিনাটি পরিবর্তন করে আরো ভালো ট্রেডার হয়ে উঠতে পারে।

#৫ সফল ট্রেডাররা একটা সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে

শেয়ার বাজার ভীষণ বিশৃঙ্খল। ফান্ডামেন্টাল বা টেকনিক্যাল যে ধরনেরই বিশ্লেষণ করা হোক না কেন আসলে কিন্তু শেয়ার বাজারে কখন কী হতে চলেছে সেটা কেউ জানে না। আর তাই ট্রেডারদের সব সময়ই অনিশ্চয়তা ও সংশয়ের সাথে যুঝে চলতে হয়।

নতুন ট্রেডারদের কাছে এর সহজ সমাধান গাট ফিলিং। যখনই মনে হল ট্রেড নিয়ে নিলাম, যখনই মনে হল এক্সিট করে দিলাম, খানিকটা এইরকমই আর কি! কিন্তু শেয়ার বাজার তো আর ট্রেডারের গাট ফিলিং বুঝে চলে না। আর এভাবে ট্রেড করার ফল লস দিয়ে চোকাতে হয়।

শেয়ার বাজারে আবেগের কোন জায়গা নেই। পেশাদার ট্রেডাররা এটা খুব ভালোভাবে বোঝে। তাই ট্রেডিং-এর প্রত্যেকটা খুঁটিনাটি বিষয় সুনির্দিষ্ট নিয়ম এবং প্রক্রিয়ার বেড়াজালে বেঁধে তবে তারা ট্রেড করে। ট্রেড করার ইনস্ট্রুমেন্ট বাছাই থেকে শুরু করে কখন কোন পরিস্থিতিতে ট্রেড নেওয়া হবে বা হবে না, ট্রেড নেওয়ার পর সেটা ম্যানেজ কিভাবে করা হবে ইত্যাদি সমস্ত বিষয়গুলোর জন্যই নিয়ম করা থাকে।

আরও পড়ুনঃ  মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের সুবিধা ও অসুবিধা। বিনিয়োগের আগে জানুন

#৬ তাদের কাছে প্রত্যেকটা ট্রেডই এক-একটা নতুন ট্রেড

আপনি যদি একটা কয়েন নিয়ে টস করেন এবং প্রথম ৯ বার হেড পড়ে, ১০ তম বারে টস করলে কী পড়বে বলে আপনার মনে হয়? হেড-ই? কিন্তু সেটা তো কখনোই ঠিক নয়। ৯ বার হেড পড়েছে বলেই ১০ বারের বারও হেড পড়ার সম্ভাবনা কিন্তু সামান্যতমও বেশি নয়। কারণ যখনই যতবারই টস করা হোক না কেন প্রতিবারেই হেড এবং টেল পড়ার সম্ভাবনা থাকে ফিফটি ফিফটি।

একইভাবে ট্রেডিং-এর ক্ষেত্রে প্রত্যেক ট্রেডে কী হবে তার সাথে পূর্ববর্তী ট্রেড গুলোর কিন্তু কোনো সম্পর্ক নেই। তবে নতুনদের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ট্রেডে হওয়া ঘটনা পরের ট্রেডে প্রভাব ফেলে। পূর্ববর্তী কয়েকটা ট্রেডে পরপর কিছু লাভ পেলে পরে ট্রেডেও লাভ হবে, এ ধরনের চিন্তাভাবনা নিয়ে আরো বেশি ক্যাপিটালে ট্রেড করতে উদ্যত হয় এবং ফলস্বরূপ যখন বাস্তব আঘাত হানে তখন বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এবং একইভাবে পূর্ববর্তী কিছু ট্রেডে লস হলে তারা ইমোশনাল হয়ে আরো ভুলভ্রান্তির জালে জড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে সফল পেশাদার ট্রেডাররা খুব ভালোভাবেই জানে যে প্রত্যেকটা ট্রেড এক-একটা নতুন ট্রেড এবং সেগুলোর সাথে পূর্ববর্তী ট্রেডের কোন সম্পর্ক নেই। এবং তারা প্রত্যেকটা ট্রেড নেয় আগের ট্রেড সম্পর্কিত আবেগ থেকে পুরোপুরি মুক্ত হয়ে।

#৭ সফল ট্রেডাররা প্রতিনিয়ত শেখে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে

নতুন ট্রেডাররা সাধারণত এক ধরণের ট্রেডিং স্টাইলের উপরই ফোকাস করে এবং একবার কোনো স্ট্র্যাটেজি থেকে লাভ পাওয়া শুরু হলে ভেবে নেয় লাইফ সেট হয়ে গেলো, এবং এবার শুধু বাজার থেকে টাকা লোটার পালা!

কিন্তু শেয়ার বাজার সদা পরিবর্তনশীল। যে স্ট্রাটেজি আজ ভালো ফল দিচ্ছে সেটা পরে নাও দিতে পারে। তাই পেশাদাররা একটা স্ট্রাটেজি শেখার পর থেমে না গিয়ে সবসময়ই নতুন স্টাটেজি, নতুন ইনস্ট্রুমেন্ট ইত্যাদি শিখতে ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে উদগ্রীব থাকে, যাতে ভবিষ্যতের সমস্ত রকম পরিস্থিতির জন্য তারা প্রস্তুত থাকতে পারে।

সফল ট্রেডাররা বোঝেন জ্ঞানই শেয়ার বাজারে অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকার লড়াইতে আসল অস্ত্র। তাই যত অভিজ্ঞতাই থাক না কেন, নতুন কিছু শিখতে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে এবং নিজের ট্রেডিং স্টাইল বদলাতে তারা কখনো পিছপা হয়না।

শেষ কথা 

উপরে উল্লিখিত অভ্যেসগুলো আয়ত্ত করতে পারলে যে কারো ট্রেডিং পারফরম্যান্সে কিছুটা হলেও উন্নতিসাধন হবে বলে আশা রাখি।

তাহলে আজকের মত এখানেই শেষ করি। ভালো থাকবেন। 🙂


মন্তব্য করুন