বড়লোকদের 12 টা অভ্যাস যা আয়ত্ত করলে আপনিও বড়লোক হতে পারবেন

5/5 - (5 জন রেটিং করেছেন)

আপনি কি জানেন? ভারতের মোট সম্পদের ৪০%-এরও বেশি আছে উপরের দিকের মাত্র ১% মানুষের কাছে। আর অন্যদিকে নীচের ৫০% মানুষের আছে মোট সম্পদের মাত্র ৩%! একটু ভাবুন, আর এই দুই শ্রেণির সম্পদের পর্বতপ্রমাণ তফাৎটা বোঝার চেষ্টা করুন…

এই সুবিশাল আয়-বৈষম্যের বা মাত্র ১% লোকের এতটা বড়লোক হওয়ার কারণ কী মনে হয়? এর পিছনে তাদের বুদ্ধিমত্তা, প্রতিভা বা মেধার গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু বাকি ৯৯% এর মধ্যে যে ঐ সমস্ত গুনগুলো নেই তা কিন্তু মোটেও নয়। তাই এর পিছনে আসল কারণ ঐ সমস্ত গুন নয়, বরং তাদের বিশেষ মানসিকতা আর সেই মানসিকতা অনুযায়ী বাকিদের থেকে আলাদা কিছু অভ্যাস!

অভ্যাস শব্দটা ছোটো হলেও আমাদের জীবনে এর ভূমিকা বিশাল। সারা দিনে আমরা যা কিছু করি তার ৪০% সম্পন্ন হয় বিবিধ অভ্যাস দ্বারা। মানে প্রতি ৫ মিনিটের মধ্যে ২মিনিট আমরা কাজ করি অভ্যাসের বশবর্তী হয়ে।

যখন কোনো কাজ বারংবার করা হয় তখন সেগুলো অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। আর একবার কোনো কিছু অভ্যাস হয়ে যাওয়ার পর বিশেষ কোনো প্রচেষ্টা বা ভাবনাচিন্তা ছাড়াই কাজটা করা যায় বা করা হয়ে যায়। আর অভ্যাসের বশে যে কাজটা হয় সেটা করার সময় আমাদের মস্তিষ্কও বেশি মাথা ঘামায় না!

তাই জীবনে বিশেষ কিছু পেতে চাইলে সেই উদ্দেশ্যে তৈরি করা এক একটা ভালো অভ্যাস যেমন একটু একটু করে লক্ষ্যপূরণের দিকে নিয়ে যেতে পারে তেমনই আবার এক একটা খারাপ অভ্যাস জীবনের অন্ধকারগুলো আরও ঘোরতর করে দিতে পারে।

বড়লোকদের টাকা আকর্ষণ ও ধরে রাখার বিশেষ অভ্যাস থাকার জন্যই তারা দিন দিন আরও বড়লোক হয় আর বিপরীত অভ্যাসের জন্য গরীবরা হয় আরও গরীব। তাই জীবন বদলাতে হলে সবার প্রথমে বদলাতে হবে অভ্যাস। যত বেশি বেশি খারাপ অভ্যাসের বদলে ভালো ভালো অভ্যাস আয়ত্ত করা যাবে ততই জীবন বদলাতে থাকবে।

আজ এই নিবন্ধে বড়লোকদের ওইসব গোপন অভ্যাসের কথা ফাঁস করে দেব! ঐ সমস্ত অভ্যাসগুলো আয়ত্ত করতে পারলে এবং লম্বা সময় ধরে মেনে চলতে পারলে মা লক্ষ্মী একদিন আপনার ঘরে আসবেই আসবে!

বিধিসম্মত সতর্কীকরণঃ আসল বিষয় শুরু করার আগে প্রথমেই বলে রাখি, বড়লোকদের অভ্যাসের কথা বললেও আমি কিন্তু বড়লোক নই! এখানে দেওয়া টিপস গুলো কিছু সফল মানুষের জীবনী ও উক্তি, চারপাশের মানুষজন এবং নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি থেকে পাওয়া। এগুলো নিজে অনুসরণ করার চেষ্টা করি। আবার কখনো কখনো জীবনের আনন্দ নিতে নিয়ম ভাঙিও। তবে শেষ পর্যন্ত মা লক্ষ্মী আমার ঘরে এলেন কি না জানতে হলে আগামী ২০ বছর আমায় ফলো করতে হবে!

আয় অনুযায়ী ব্যয় এবং শো-অফ নয়

আমাদের প্রচলিত ধারণা হচ্ছে বড়লোকেরা প্রচুর খরচ করে এবং কথায় কথায় প্রচুর টাকা ওড়ায়। কিন্তু আসলে বাস্তবটা পুরোপুরি তার উল্টো। প্রকৃত ধনী যারা হয় তারা নিজেদের ক্ষমতার বাইরে তো দূর, নিজেদের ক্ষমতার থেকে অনেক কম খরচ করে। তারা তাদের আয়ের ৮০%-এর বেশি কখনই খরচের খাতে ফেলে না। কারণ আয় যতই বেশি হোক বা বাড়ুক, ঐ টাকার বেশিরভাগটাই যদি নিয়মিত খরচ হয়ে যায় তাহলে আর যাই হোক, বড়লোক হওয়াটা হয় না।

আরও পড়ুনঃ  সোনায় বিনিয়োগ করার 7 টা উপায়। আমার পছন্দ #6

তারা অন্যের দেখাদেখি বা অন্যকে দেখানোর জন্য লাক্সারি আইটেম কেনেনা। ‘অমুক ওটা কিনেছে, আমি ওর থেকেও দামী নেব’, বা ‘এই দ্যাখ আমি এটা কিনেছি’ এই ধরণের মনোভাব বা অভ্যাস কোনোটাই তাদের থাকেনা। হ্যাঁ তারা দামী জিনিস কেনে বটে, তবে সেটাই কেনে যেটা তাদের আয়ত্তের মধ্যে থাকে এবং কেনে কারণ সেগুলো সাধারণত অনেক বেশি টেকসই হয় ফলে অনেকদিন ব্যবহার করা যায়। তাই ঘন ঘন একই জিনিস বারে বারে কেনাকাটা করতে হয়না। উদাহরণস্বরূপ, বড়লোকরা গাড়ি কেনে কিন্তু সেটা লম্বা সময়ের জন্য ব্যবহার করে, দুদিন ছাড়া পাল্টায় না।

ধার নৈব নৈব চ। করলেও আয়ের উদ্দেশ্যে

বড়লোকেরা সাধারণত খুব প্রয়োজন না পড়লে ব্যক্তিগত কারণে ধার করেনা। বিশেষ করে ক্রেডিট কার্ডে এটা সেটা কেনাকাটা করা আর তার পর তার সুদ গোনা, এটা তাদের অভ্যাসের মধ্যে পড়ে না। নতুন আইফোন বেরোলে সাথে সাথে ইএমআই-তে নিয়ে নেওয়া, লোন করে অত্যধিক দামী গাড়ি নেওয়া বা এধরণের অন্য বড়সড় লাক্সারি আইটেম নিয়মিত লোন করে কেনাকাটা করা বড়লোকদের কাজ না।

লোন বা ইএমআই সব সময়েই একটা বোঝা। প্রতি মাসে অল্প শোধ করতে হয় মনে হলেও আসলে এগুলো ভবিষ্যতের সঞ্চয়কে খেয়ে ফেলে। আর এভাবে কেনাকাটার অভ্যাস যে চক্রব্যূহে ফেলে দেয় তা কোনদিনই বড়লোক হতে দেয় না।

ধনীরা ধার করলেও এমন ক্ষেত্রে করে যেখানে ঐ ধারের টাকার বদলে কিছু আমদানির সম্ভাবনা থাকে। ধার করলে এমনিতে সুদ গুনতে হয় তাই ক্ষতি হয়। তাই তারা এমন কারণে ধার করে যেখানে ঐ ক্ষতি ছাপিয়ে লাভ হতে পারে। যেমন ধরুন লোন করে প্রপার্টি কিনে ভাড়া দেওয়া। এক্ষেত্রে যেমন ভাড়া থেকে লাভ হয় তেমনই আসতে আসতে প্রপার্টির দাম বাড়তে থাকে। তাই শুরুতে বোঝা হলেও পরে এই লোন-ই লক্ষ্মীলাভের কারণ হয়।

আয়ের একাধিক উৎস তৈরি

একটা জায়গা থেকে আয় করতে পারলেই ক্ষান্ত হয়ে যাওয়া বড়লোকদের ধাত না। দুই বা ততোধিক আয়ের উৎস তৈরি করা তাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। প্রধান চাকরি বা ব্যবসা থেকে সরাসরি আয়ের পাশাপাশি নিজের অতিরিক্ত সময় কাজে লাগিয়ে সাইডে কিছু করা বা বিভিন্নভাবে বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্য ইনকামের উৎস তৈরি করা তাদের একটা নেশা।

সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ

খরচ কম এবং বেশি সঞ্চয়ের পাশাপাশি নিয়মিত বিনিয়োগ করাও তাদের খুব ভালো একটা অভ্যাস। তবে তাদের কাছে সঞ্চয় আর বিনিয়োগ দুটো আলাদা অর্থ বহন করে। তাদের কাছে সঞ্চয় মানে ইমারজেন্সির জন্য একটা ফান্ড তৈরি করে রাখা এবং নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া সেটায় হাত না দেওয়া। আর এভাবে সঞ্চয়ের পর বাকি টাকা এমনি এমনি ফেলে না রেখে তারা বিনিয়োগের বিভিন্ন উপায় অনুসরণ করে সম্পদ তৈরির জন্য কাজে লাগিয়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ  10 বছরে কিভাবে কোটিপতি হওয়া যায়? এটা কি আদৌ সম্ভব...?

একমাত্র বিনিয়োগ করলেই মুদ্রাস্ফীতি কে হারানো যায়, আর কোনো এক্সট্রা এফোর্ট ছাড়াই নিজের আয় করা অর্থকে নিজের জন্য খাটিয়ে ঘুমের মধ্যেও আয় করা যায়। বিনিয়োগ সুনিশ্চিত করতে হাতে টাকা আসার পরে তারা আগে বিনিয়োগের খাতে টাকা দিয়ে তারপরে খরচের কথা ভাবে।

সময়কে সবথেকে বেশি দাম দেওয়া

আমাদের জীবনে সময় সীমিত। তাই ধনীরা এই সময়ের কদর করে সবথেকে বেশি। ‘ঘন্টো কা পূর্ণ ইস্তেমাল কোয়ি ইন বড়লোক-সে শিখে!’ তারা অনর্থক কারণে সময় ব্যয় করতে অভ্যস্ত নয়। টিভি, সোশ্যাল মিডিয়ার মতো সময় অপচয়কারী কার্যকলাপ থেকে তারা কয়েক ক্রোশ দূরে থাকে। অতি সাধারণ যে কাজগুলো অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেওয়া সম্ভব, তারা সেগুলো নিজে না করে করিয়ে নেওয়ারই পক্ষপাতী হয়। এবং তার বদলে তারা যে সময়টা পায় সেটাকে ব্যয় করে আউটসোর্স করার জন্য যে অতিরিক্ত খরচ হয় তার থেকে অনেক বেশি কামিয়ে নেয়! তাছাড়া তুচ্ছ কাজের বোঝাগুলো এভাবে ঘাড় থেকে নেমে যাওয়ায় তারা আসল সমস্যা বা কাজের উপর ভালোভাবে ফোকাস করতে পারে এবং এতে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ে ও কাজের মান উন্নত হয়।

ইচ্ছা নয় লক্ষ্য থাকা

জীবনে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য তারা কেবলমাত্র ইচ্ছা প্রকাশ করে বসে না থেকে থেকে একটা পোক্ত লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেটা পূরণ করতে জান লড়িয়ে দেয়।

প্রতি বছর ৭০% বড়লোকেরা তাদের নিজেদের জন্য অন্তত একটা বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করতে অভ্যস্ত। এবং তাদের মধ্যে বেশিরভাগই সেই লক্ষ্য পূরণে সক্ষমও হয়।

গড়িমসি নয়

গড়িমসি করা এবং ল্যাদ খাওয়া খুবই বাজে একটা অভ্যেস। আর অনেক বাঙালিই এই দোষটায় বিশেষভাবে দোষী। ‘এখন নয় পরে’ , ‘আজ থাক কাল’ এধরণের অভ্যাস থাকলে ব্যবসার হাল খারাপ হয়, কাস্টমার অসন্তুষ্ট হয়, সম্পর্ক খারাপ হয় এবং দীর্ঘসূত্রতার জালে পড়ে নিজের সময় এবং জীবন সব বানে ভেসে যায়।

কিন্তু বড়লোকদের অভ্যাস হচ্ছে ‘কল করে সো আজ কর, আজ করে সো আব…।

সবার দেখাদেখি কাজ নয়

হার্ড বা পাল অনুসরণ করা ধনীদের অভ্যাসের মধ্যে পড়ে না। কিন্তু আমাদের সাধারণ স্বভাবগত অভ্যাস হচ্ছে সবাইকে অনুসরণ করা, সবাই যা করছে করা। ‘আলাদা’ কিছু করতে বা হতে আমরা ভীত সন্ত্রস্ত থাকি। কিন্তু সবার মতো হলে তো সবার মতো নিচুতলাতেই থাকতে হবে। বড়লোকদের মতো আলাদা হওয়া বা চূড়ায় যাওয়া তো আর হবে না।

বড়লোকরা আগে নিজেকে ঐ পাল থেকে আলাদা করে তারপর নিজের আলাদা পথ তৈরি করে। পরে অন্যরা সেই পথে যোগদান করে এবং একটা নতুন পাল তৈরি হয়।

ঝুঁকি কিন্তু ক্যালকুলেটেড

তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঝুঁকি নিতে অভ্যস্ত তবে সেটা ক্যালকুলেটেড। সেফ খেলে জীবনধারণ হয়ে গেলেও বিশাল বড় কিছু করতে গেলে ঝুঁকিতো একটু নিতেই হবে। নো ঝুঁকি নো লাভ। কিন্তু তারা আনাড়ির মতো এমনও ঝুঁকিও নেয়না যে প্রত্যাশিত ফল না হলে সব কিছু ওলট পালট হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ আর জীবনবীমা একইসাথে। 2 ইন 1 ইউলিপ

এই যেমন শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার কথাই ধরুন না। এখানে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ, কিন্তু একটু রিসার্চ করে টাকা ঢাললে রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনাও বিশাল। তবে আনাড়ির মতো না জেনে শুনে নিজের সমস্ত সঞ্চয়ের টাকা এখানে একবারে ঢুকিয়ে দেওয়াটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। 

ব্যার্থতার এলে হাল না ছাড়া 

জীবনে বড় কিছু চাইলে, ঝুঁকি নিলে এবং সবার থেকে উল্টো পথে গেলে সব সময়েই যে চাহিদা মত ফল হবে বা নিজের প্রচেষ্টায় সফলতা আসবে সেটা কিন্তু নয়। কিন্তু ব্যর্থতা যখন আসে তখন আর পাঁচটা গড়পরতা সাধারণ মানুষের মতো ভেঙে না পড়ে বা ডিপ্রেশনের অন্ধকারে ডুবে না গিয়ে বড়লোকরা ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে পুনরায় একই পথে বা অন্য পথে ততক্ষণ চেষ্টা ছাড়ে না যতক্ষণ না সফলতার রাস্তা দৃশ্যমান হয়।

একই মানসিকতার মানুষের সান্নিধ্য

সাধারণত আমরা যাদের সঙ্গে মিশি বা আমাদের বন্ধু সার্কেল যেমন হয় আমরা তেমনই হয়ে যাই। ঠিক যেমন মাতাল বন্ধু সার্কেলে মাতাল নয় এমন কেউ ঢুকে পড়লে সেও একদিন মাতাল হয়ে যায়, তেমনি উল্টো দিকে সফল, উন্নত চিন্তাভাবনার মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব করলে তাদের মত উন্নত ধরনের অভ্যাস রপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

সফল ও পজেটিভ মানুষরা সাধারণত তাদের চারপাশের মানুষদেরও সফল হতে উৎসাহিত, অনুপ্রাণিত ও সাহায্য করে থাকে। তাই বড়লোকরা তাদের মতো একই বা আরও উন্নত মানসিকতার অন্য লোকজনের সান্নিধ্যে থাকে।

অন্যান্য দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাস

উপরের সমস্ত অভ্যাসগুলো ছাড়াও প্রতিদিনের জীবনে কিছু সাধারন অভ্যাস প্রায় সমস্ত বড়লোকদেরই থাকে। যেমন ধরুন ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠা, ব্যায়াম বা শরীর চর্চা করা, মেডিটেশন করা, নিয়মিত বই পড়া, স্বাস্থ্যকর খাবার দাবার খাওয়া, অন্যদের সাহায্য করা, তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো ইত্যাদি। এই অভ্যাস গুলো হয়তো সরাসরি বড়লোক হতে সাহায্য করে না কিন্তু আপনার শরীর এবং মনকে চাঙ্গা রেখে সমগ্র প্রক্রিয়াটায় পরিপূরক হয়ে কাজ করে।

শেষ কথা

সুতরাং দেখতেই পাচ্ছেন এই সমস্ত অভ্যেসগুলো শুনতে খুবই সাধারণ। কিন্তু এগুলো লম্বা সময়ের জন্য মেনে চলাটাই কঠিন। তবে অভ্যাসগুলো আয়ত্ত করতে পারলে এবং নিষ্ঠা ভরে নিজস্ব ক্ষেত্রে কাজ করে যেতে পারলে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়া কেউ আটকাতে পারবেনা।

আজ তাহলে এপর্যন্তই। ভালো থাকবেন।

মন্তব্য করুন