ফাটাফাটি লাইফটাইম ফ্রী ক্রেডিট কার্ডের তালিকা 2023 – নিলেই মালামাল!

5/5 - (5 জন রেটিং করেছেন)

ক্রেডিট কার্ড জিনিসটা আমার তো খুব প্রিয়, আর আপনার? এটা এমন একটা অস্ত্র যেটা ব্যবহার করে কেনাকাটা করলে বিলের টাকাটা সেই মুহূর্তে আমাদের হয়ে অন্যজন (মানে ক্রেডিট কার্ড ইস্যুয়ার কোম্পানি/ ব্যাংক) মিটিয়ে দেয়! আর খরচ করা টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য (কোনোরকম সুদ ছাড়া) ৫০ দিন পর্যন্ত সময় পাওয়া যায়। উপরন্তু কেনাকাটার সময় ক্যাশব্যাক বা রিওয়ার্ড পয়েন্ট জমা হয় আর তার সাথে কার্ড ভেদে ফ্রী সিনেমার টিকিট, ফ্রী লাউঞ্জ আক্সেস ইত্যাদির মতো অনেক কিছু এক্সট্রাও পাওয়া যায়।

এত কিছু সুবিধা পেতে গেলে কিছু কার্ডের ক্ষেত্রে জয়েনিং ও বার্ষিক মেম্বারশিপ ফী লাগে বটে, তবে কিছু কার্ডের ক্ষেত্রে এক পয়সা খরচ না করেও এইসব সুবিধা উপভোগ করা যায়। এই নিবন্ধে ঐ ধরণেরই কিছু দুর্দান্ত লাইফটাইম ফ্রী কার্ডের খোঁজ পাবেন…

#১ আইডিএফসি ফার্স্ট ওয়েলথ ক্রেডিট কার্ড

আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংকের বেশিরভাগ ক্রেডিট কার্ডই লাইফটাইম ফ্রী। ঐ গুলোর মধ্যে সবথেকে সেরা হচ্ছে আইডিএফসি ফার্স্ট ওয়েলথ ক্রেডিট কার্ড। এটায় প্রিমিয়াম কার্ডের মতো অনেক কিছু সুবিধা পাওয়া যায় কোনো এক্সট্রা খরচ ছাড়াই।

এই কার্ডে পাওয়া বিশেষ বিশেষ সুবিধাগুলো হল,

  • ওয়েলকাম বেনিফিটঃ কার্ড পাওয়ার ৩ মাসের মধ্যে ১৫০০০ টাকা খরচ করলে ৫০০ টাকার গিফট কার্ড পাওয়া যায়।
  • প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনলাইন কেনাকাটায় 6X এবং অফলাইন কেনাকাটায় 3X রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায়। ৩০ হাজারের উপরে কিংবা জন্মদিনে খরচ করলে 10X রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায়। এই রিওয়ার্ড পয়েন্ট কোনোদিন এক্সপায়ার করে না।
  • পেটিএম থেকে সিনেমার টিকিট কাটার ক্ষেত্রে বাই ওয়ান গেট ওয়ান অফার পাওয়া যায়। এই অফারের আওতায় প্রতিমাসে দুবার দুটো করে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় টিকিটটা ফ্রীতে পাওয়া যায় (৫০০ টাকা পর্যন্ত)।
  • যেখানে অন্যান্য ক্রেডিট কার্ডে এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে ইন্টারেস্ট ফ্রি পিরিয়ড পাওয়া যায় না, সেখানে এই কার্ডের ক্ষেত্রে এটিএম থেকে টাকা তোলার জন্যও সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারেস্ট গুনতে হয় না এবং কেনাকাটার মতোই ইন্টারেস্ট ফ্রী পিরিওড পাওয়া যায়।
  • এছাড়া সারা বছর ব্যাপী বিবিধ মার্চেন্ট অফার, বিবিধ রেস্টুরেন্টে ডিসকাউন্ট, ফুয়েল সারচার্জে ছাড়, বিবিধ ইন্সুরেন্স, কমপ্লিমেন্টারি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ এক্সেস ও রোডসাইড অ্যাসিস্ট্যান্সের মতো অন্যান্য সুবিধা তো আছেই।
আরও পড়ুনঃ  ক্রেডিট কার্ড কত ধরণের হয়? বেশি লাভ পেতে আবেদনের আগেই জানুন!

আর এই কার্ডের খামতি গুলো হল,

  • রিওয়ার্ড পয়েন্টের ভ্যালু মাত্র 25 পয়সা।
  • তেল, ইন্সুরেন্স প্রিমিয়াম, ইএমআই ও ক্যাশ উইথড্রয়ালের জন্য রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায় না।
  • রিওয়ার্ড পয়েন্ট রিডিম করার জন্য ৯৯ টাকা প্লাস ট্যাক্স খরচ করতে হয়।
  • ফুয়েল সারচার্যে সর্বাধিক ছাড় প্রতিমাসে ৪০০ টাকা এবং ২০০ টাকার নিচে ও ৫০০০ টাকার ওপরে তেল তুললে এই ছাড় পাওয়া যায় না।
  • এটিএম থেকে ক্যাশ উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রে ইন্টারেস্ট না লাগলেও ১৯৯ টাকার ক্যাশ অ্যাডভান্স ফি লাগে।

#২ অ্যামাজন পে আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক ক্রেডিট কার্ড

এটা অ্যামাজন ও আইসিআইসিআই ব্যাংকের কো-ব্র্যান্ডেড ক্রেডিট কার্ড। ভারতীয়দের মধ্যে ভীষণ পপুলার একটা লাইফ টাইম ফ্রী ক্রেডিট কার্ড এটা। 

এই কার্ডে পাওয়া বিশেষ বিশেষ সুবিধা গুলো হলো,

  • সময়ে সময়ে বিভিন্ন রকম জয়েনিং বেনিফিট পাওয়া যায়।
  • অ্যামাজনে যেকোনো কেনাকাটার জন্য সব সময়ে প্রাইম মেম্বার হলে ৫% আর নন প্রাইম মেম্বার হলে ৩% ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়।
  • অ্যামাজনে যেকোনো বিল পেমেন্টের (এমনকি ইন্সুরেন্স প্রিমিয়ামেও) জন্য ২% ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়।
  • বাকি সমস্ত ট্রানজ্যাকশনের জন্য ১% ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়।
  • বিশেষ অফারের সময় কখনো কখনো ৫% ক্যাশব্যাক এর সাথে এক্সট্রা ৫% ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্টও পাওয়া যায়।
  • অন্যান্য অনেক অ্যাপ বা ওয়েবসাইটেও অনেক সময় ক্যাশব্যাক অফার পাওয়া যায়।
  • ক্যাশব্যাক অ্যামাজন পে ব্যালেন্স হিসেবে স্টেটমেন্ট জেনারেশনের সময় নিজে নিজেই অ্যামাজন অ্যাকাউন্টে চলে আসে।
  • অ্যামাজনে নো কস্ট ইএমআই-এর সুবিধা পাওয়া যায়।
  • ফুয়েল সারচার্জে ছাড় ও রেস্টুরেন্ট ডিসকাউন্টও উপলব্ধ।

এর খামতিগুলো হল,

  • প্রাইম মেম্বার না হলে অ্যামাজনে ক্যাশব্যাকের পরিমাণ কম।
  • কমপ্লিমেন্টারি লাউঞ্জ অ্যাক্সেসের সুবিধা পাওয়া যায় না।
  • অ্যামাজন বাদে অন্যান্য ই-কমার্স ওয়েবসাইটে যখন সব আইসিআইসিআই ব্যাংক কার্ডে ১০% ডিসকাউন্টের সুবিধা পাওয়া যায় তখন অনেক সময় এই কার্ডটায় সেই অফারটা প্রযোজ্য হয় না।

#৩ ইন্ডাসইন্ড ব্যাংক লেজেন্ড ক্রেডিট কার্ড

ইন্ডাসইন্ড ব্যাংকের এই কার্ডটায় একসময় জয়েনিং ফি লাগলেও এখন এটা সম্পূর্ণ ফ্রী।

এই কার্ডে পাওয়া বিশেষ বিশেষ সুবিধা গুলো হলো,

  • উইক-ডে তে প্রতি ১০০ টাকা খরচে ১ রিওয়ার্ড পয়েন্ট আর উইকেন্ডে ২ রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায় এবং এর কোনো এক্সপায়ারি নেই।
  • বছরের ৬ লাখের বেশি খরচ করলে ৪ হাজার বোনাস রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায়। 
  • রিওয়ার্ড পয়েন্ট যাত্রা, জিওমার্ট, কেফ কফি ডে ইত্যাদি অ্যাপে সরাসরি পেমেন্ট এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়।
  • আবার ঐ পয়েন্ট ব্যবহার করে এয়ারলাইন মাইলস বা ক্লাব ভিস্টারা পয়েন্ট পাওয়া যেতে পারে।
  • এমনকি রিওয়ার্ড পয়েন্ট ক্যাশে কনভার্ট করে ক্রেডিট কার্ডের বিল মেটানোতেও ব্যবহার করা যায় এবং সেক্ষেত্রে ১ রিওয়ার্ড পয়েন্ট ৭৫ পয়সা হিসেবে গণ্য হয়।
  • ফরেন কারেন্সি মার্ক আপ রেট কম, মাত্র 1.8%।
  • বুক মাই শোতে সিনেমার টিকিট কাটার ক্ষেত্রে প্রতি মাসে একবার বাই ওয়ান গেট ওয়ান অফার (২০০ টাকা পর্যন্ত) পাওয়া যায়।
  • এছাড়া ফুয়েল সারচার্জে ছাড়, ইন্সুরেন্স, লাউঞ্জ অ্যাক্সেস, রোডসাইড অ্যাসিস্ট্যান্স ইত্যাদি সুবিধাও উপলব্ধ।
আরও পড়ুনঃ  ক্রেডিট স্কোর কী? এর প্রয়োজনীয়তা কী? না জানলে ক্ষতি আসন্ন

এর খামতি গুলো হল,

  • তেল তোলার ট্রানজ্যাকশনে রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায় না।
  • রিওয়ার্ড পয়েন্ট রিডিম করে বিল মেটানোর ক্ষেত্রে কিছু লিমিটেশন প্রযোজ্য।

#৪ এইচএসবিসি ভিসা প্লাটিনাম ক্রেডিট কার্ড

এইচএসবিসির একাধিক লাইফ টাইম ফ্রি কার্ড এর মধ্যে এটাই সবথেকে জনপ্রিয় এবং এটাতেই সবথেকে বেশি সুবিধা পাওয়া যায়।

এই কার্ডের বৈশিষ্ট্যগুলো হল,

  • কার্ড পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নূন্যতম ২৫০০ টাকার ট্রানজ্যাকশন করলে ৫০০ টাকার অ্যামাজন ভাউচার এবং ২৫০ টাকার সুইগী ভাউচার পাওয়া যায়। এবং তার সাথে ওই সমস্ত ট্রানজ্যাকশনের উপর ১০% ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়।
  • ৩টে কমপ্লিমেন্টারি লাউঞ্জ অ্যাক্সেস এর বদলে ৩টে এয়ারডাইন মিল ভাউচার পাওয়ার অপশন পাওয়া যায়।
  • প্রতিবছর ৪ লাখের ওপরে ট্রানজ্যাকশনের জন্য ৫X রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায়।
  • মাসে একবার শনিবারে বুক মাই শো-তে সিনেমার টিকিট বুকিং এর ক্ষেত্রে বাই ওয়ান গেট ওয়ান অফার পাওয়া যায়।
  • প্রচুর পার্টনার ওয়েবসাইটে সময়ে সময়ে বিভিন্ন অফার পাওয়া যায়।
  • ফুয়েল সারচার্জে বছরে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় এবং ইন্সুরেন্সের সুবিধা পাওয়া যায়।

#৫ এ ইউ ব্যাংক লিট ক্রেডিট কার্ড

এ ইউ ব্যাংক লিট ক্রেডিট কার্ড
সৌজন্যেঃ এ ইউ ব্যাংক

এ ইউ ব্যাংকের তরফ থেকে এটা একটা বিশেষ ক্রেডিট কার্ড। এটা এমনিতে লাইফটাইম ফ্রী-ই তবে এটাকে নিজের প্রয়োজন মত কাস্টমাইজ করা যায়। অর্থাৎ নির্দিষ্ট পরিমাণ ফী দেওয়ার বদলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কিছু কিছু ফিচার অন বা অফ করে নেওয়া যায়। ঐ ধরণের অপশনাল কিছু ফিচার হল,

  • এক্সট্রা রিওয়ার্ড পয়েন্ট,
  • মাইলস্টোন ক্যাশব্যাক,
  • স্পেসিফিক ক্যাটিগরি ক্যাশব্যাক,
  • অ্যাপ মেম্বারশিপ 

ইত্যাদি।

অন্যান্য

উপরের কার্ডগুলো বাদ দিয়ে আরো কিছু উল্লেখযোগ্য লাইফটাইম ফ্রী ক্রেডিট কার্ড হলো,

  • আইডিএফসি ফার্স্ট মিলেনিয়া, ক্লাসিক ও সিলেক্ট ক্রেডিট কার্ড।
  • আইসিআইসিআই ব্যাংক প্লাটিনাম।
  • ইন্ডাসইন্ড ব্যাংক প্লাটিনাম ও প্লাটিনাম অরা এজ।
  • এ ইউ ব্যাংক এক্সাইট, এক্সাইট এস ও এক্সাইট আল্ট্রা।
  • আইডিবিআই ব্যাঙ্ক অ্যাসপাওয়ার প্লাটিনাম।
  • এইচএসবিসি স্মার্ট ভ্যালু ও প্রিমিয়ার মাস্টার কার্ড।
  • আরবিএল ব্যাংক সেভ ম্যাক্স, লেজিপে ও পয়সাবাজার ডুয়েট।
  • ওয়ান কার্ড কো ব্র্যান্ডেড মেটাল ক্রেডিট কার্ড।

ইত্যাদি।

পেইড কার্ড ফ্রী তে

স্থান, কাল ও পাত্রবিশেষে কখনো কখনো কিছু কিছু পেইড কার্ডও লাইফটাইম ফ্রী হিসাবে পাওয়া যায়। যেমন,

  • এইচডিএফসি ব্যাংক তাদের রেগালিয়া ফার্স্ট ক্রেডিট কার্ড বিশেষ বিশেষ কাস্টমারকে ফ্রীতে দিয়ে থাকে। এছাড়া এই ব্যাংকের আরও অন্যান্য কিছু কার্ডে কখনো কখনো বিশেষ কিছু কন্ডিশন দেওয়া থাকে যেগুলো ঠিকমতো মেনে চললে পেইড কার্ডও ফ্রি হয়ে যায়।
  • অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক মাইজোন এবং ইন্ডিয়ান অয়েল ক্রেডিট কার্ড পেইড কার্ড হলেও কখনো কখনো ফ্রিতে পাওয়া যায়।

পেইড কার্ড ফ্রীতে পেতে হলে সংশ্লিষ্ট কার্ডের ওয়েবসাইটে খেয়াল রাখতে হয়। যখন অফার চালু হয় তখনই নিয়ম মেনে আবেদন করতে হয় বা আবেদন করার পর কোনো শর্ত সাপেক্ষে ফ্রী হলে সেগুলো পূরণ করতে হয়।

আরও পড়ুনঃ  ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ২০+ সুবিধা। #৫ আমার সবথেকে প্রিয়...!

শেষ কথা

চার্জের ঝঞ্ঝাট ছাড়া ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে চাইলে উপরের তালিকা থেকে নিজের প্রয়োজন ও পছন্দমত যেকোনো এক বা একাধিক কার্ড নেওয়া যেতেই পারে। তবে এগুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নিজের সাধ্যের মধ্যে খরচ করা এবং ডিউ ডেটের মধ্যে বিল মিটিয়ে দেওয়ার অভ্যাস তৈরি করাটা খুবই জরুরী। কার্ড ফ্রী হলেও সঠিকভাবে এর ব্যবহার না করলে পেনাল্টি, সুদ ও অন্যান্য চার্জ দিতে হতে পারে এবং তাতে মেম্বারশিপ ফী-এর থেকে অনেক বেশি খরচ হয়ে যেতে পারে।

এই বলে আজ এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকবেন।

প্রয়োজনীয় অন্যান্য আর্টিকেলঃ
> কোন বিশেষ উপায়ে ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করলে ফ্রীতে ২০০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে?
> ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে টাকা বাঁচানোর উপায় কী কী?
> অনলাইনে কার্ডে কেনাকাটার সময় সাধারণ ছাড়ের উপর আরও এক্সট্রা ছাড় কিভাবে পাওয়া যেতে পারে?
এছাড়া ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কিত অন্যান্য আর্টিকেলের জন্য এই ব্লগের ক্রেডিট কার্ড বিভাগ দেখতে পারেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)

লাইফটাইম ফ্রী ক্রেডিট কার্ড কি সত্যিই ফ্রী?

হ্যাঁ। এমনিতে এধরণের কার্ডে জয়নিং বা বার্ষিক ফী লাগেনা। 
কিন্তু মেম্বারশিপ ফী ছাড়াও ক্রেডিট কার্ডের সাথে সম্পর্কিত আরো অনেক চার্জ হয়। কোন কার্ডে কোন কারণে কত চার্জ কাটে সেগুলো জেনে নিয়ে সেই সেই কাজগুলো করা থেকে বিরত থাকলে এবং কখনও পেমেন্ট করতে দেরি না করলে এগুলো ব্যবহার করার জন্য সত্যিই কোনো খরচ হয় না।

কোন কোন ব্যাংক এধরণের ক্রেডিট কার্ড দেয়?

আইসিআইসিআই, ইন্ডাসইন্ড, আইডিএফসি, এইচএসবিসি, আইডিবিআই, আরবিএল, এ ইউ স্মল ফাইন্যান্স, অ্যাক্সিস ইত্যাদি।

এধরণের ক্রেডিট কার্ড পেতে কত টাকা ইনকাম হওয়া প্রয়োজন?

মোটামুটি কুড়ি থেকে ত্রিশ হাজার টাকা মাসিক ইনকাম হলেই এ ধরনের এন্ট্রি লেভেল ক্রেডিট কার্ড পাওয়া যায়।

আমার বর্তমান কার্ডটা লাইফ টাইম ফ্রী কিনা কিভাবে বুঝব?

স্ট্যান্ডার্ড লাইফটাইম ফ্রী কার্ড হলে ব্যাংকের ওয়েবসাইটে গিয়ে কার্ডের জয়েনিং আর অ্যানুয়াল ফী-এর ডিটেলস চেক করলেই জানা যাবে। আর কন্ডিশনাল লাইফ টাইম ফ্রী কিনা জানতে হলে ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ার সার্ভিসে ফোন করে জানতে হবে।

এই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে এটিএম থেকে টাকা তোলা যাবে কি?

এটিএম থেকে টাকা তুলতে কোনো অসুবিধে নেই কিন্তু এটা সাধারণত ফ্রীতে হয়না। এব্যাপারে বিষদে জানতে এই আর্টিকেলটা পড়ে নিতে পারেন।

মন্তব্য করুন