ভারতীয় শেয়ার বাজারের সবথেকে বড় 10 টা পাবলিক কোম্পানি – মার্কেট ক্যাপের ভিত্তিতে

5/5 - (2 জন রেটিং করেছেন)

1947 এ স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত ভারত বিভিন্ন বিষয়ে বহু দিক দিয়ে অনেক দূর এগিয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফার্ম বা আইএমএফ এর 2021 সালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ভারত পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম ইকোনমি। তবে এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডকে ছাপিয়ে ভারত পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম ইকোনমিতে পরিণত হয়েছে। ভারতের ইকোনমি বা জিডিপি বাড়ার সাথে সাথেই ডানা মেলেছে ভারতের বিশেষ কিছু ভালো ভালো কোম্পানি। এক সময়ে ছোট্ট হয়ে শুরু করে এইসব কোম্পানিগুলো আজ বিশাল আকার নিয়েছে। আর স্বাধীনতার পর অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম সময়ে ভারতের এতখানি জিডিপি বৃদ্ধির জন্য দেশে-বিদেশে ব্যবসা করা এইসব কোম্পানিগুলোর অবদান অনেকটাই।

মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন বা ভ্যালুয়েশন-এর দিক থেকে সব থেকে বড় এরকম দশটি ভারতীয় কোম্পানির তালিকা আমি এখানে পেশ করব।

খুব স্বাভাবিকভাবেই এই দশটা কোম্পানি নিফটি ফিফটি ইনডেক্সের 50 টা কোম্পানির মধ্যেও পড়ে। কম ঝুঁকি নিয়ে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে চাইলে এই কোম্পানিগুলোর শেয়ার কেনার কথা ভাবা যেতেই পারে।

1. রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কথা ভারতবর্ষে কে না জানে। রিলায়েন্সের আসল ব্যবসা তেল সংক্রান্ত হলেও অন্যান্য বহু ক্ষেত্রেই রিলায়েন্স আজ তার জাল বিস্তার করেছে। ভারতের আপামর সাধারণ জনগন এই কোম্পানির ফ্যান কারণ জিও 4জি এনে এই কোম্পানিই ভারতে ফোরজি টেলিকমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে। এই রিলায়েন্স-ই ফরচুন 500 তালিকায় জায়গা করে নেওয়া প্রথম ভারতীয় কোম্পানি। এই মুহূর্তে এটিই মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশনের দিক দিয়ে ভারতের সবথেকে বড় পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানি। বর্তমানে এর মার্কেট ক্যাপ 16 লক্ষ কোটিরও বেশি।

১৯৬০ এর দশকে ধীরুভাই আম্বানির হাতে রিলায়েন্স কমার্শিয়াল কর্পোরেশন নামে এর গোড়াপত্তন হয়। টেক্সটাইল কারখানা দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে পেট্রোকেমিক্যাল, টেলিকমিউনিকেশন, রিটেল, ই-কমার্স ও আরও অন্যান্য দিকে ব্যবসার বিস্তার হয়।

এই কোম্পানির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সাবসিডিয়ারি হল জিও প্ল্যাটফর্মস, রিলায়েন্স রিটেল (যার মধ্যে রিলায়েন্স ট্রেন্ডস, রিলায়েন্স ডিজিটাল, রিলায়েন্স ফ্রেশ ইত্যাদি ব্র্যান্ড গুলো পড়ে), রিলায়েন্স সোলার,  রিলায়েন্স লাইফ সাইন্সেস, নেটওয়ার্ক 18, রিলায়েন্স এরস প্রোডাকশনস ইত্যাদি।

1977 এ রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও-র সময় 10000 টাকা বিনিয়োগ করলে এখন সেই বিনিয়োগের ভ্যালু 3 কোটিরও বেশি হত।

2. টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস বা টিসিএস

টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস বা টিসিএস হচ্ছে এক ভারতীয় মাল্টিন্যাশনাল আইটি সার্ভিস ও কনসাল্টিং কোম্পানি। টাটা দের আরো অনেক কোম্পানির মধ্যে এটাও একটা। যারা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে তাদের কাছে টিসিএস একটা খুবই চেনা নাম। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার শেষে এখানে ঢুকতে পারলেই ভবিষ্যৎ সেট। মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন-এর বিচারে ভারতে এর স্থান দ্বিতীয়। বর্তমানে টিসিএস এর মার্কেট ক্যাপ 12 লক্ষ কোটিরও বেশি।

আরও পড়ুনঃ  কিভাবে ইন্ট্রা ডে ট্রেডিং এর জন্য স্টক নির্বাচন করবেন? নতুনদের জন্য

আমরা পুরনো যুগ থেকে যত আধুনিক যুগের দিকে এগিয়েছি ততই কম্পিউটার এবং ইনফরমেশন টেকনোলজির বাড়বাড়ন্ত হয়েছে। আর সেই বাড়বাড়ন্তের সাথেই পৃথিবীর আরো অন্যান্য আইটি কোম্পানির মতোই ভারতের টিসিএস-ও বিদ্যুৎগতিতে বেড়েছে এবং বেড়ে চলেছে।

এই কোম্পানির হেডকোয়ার্টার মুম্বাইতে অবস্থিত এবং এখন 46 টা দেশের 150 টা জায়গায় এদের কার্যালয় আছে। 6 লক্ষেরও বেশি কর্মচারী সারা পৃথিবীতে টিসিএস এর বিভিন্ন অফিসে কাজ করেন।

টিসিএস এর আইপিও হয় 2004 সালে। তখন থেকে এখন পর্যন্ত এই শেয়ারের দাম 30 গুণেরও বেশি বেড়েছে।

3. এইচডিএফসি ব্যাংক

ভারতের সবথেকে বড় প্রাইভেট ব্যাংকের নাম এইচডিএফসি ব্যাংক। এটা ভারতের প্রথম প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংক-গুলোর মধ্যে একটা। সারা ভারতের 3000-এরও বেশি শহরে এদের 6000-এর থেকেও বেশি ব্রাঞ্চ আছে। এটি এই মুহূর্তে ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম কোম্পানি। বর্তমানে এর মার্কেট ক্যাপ 9 লক্ষ কোটিরও বেশি।

এই ব্যাংক ব্যাংকিং লাইসেন্স পেয়ে কমার্শিয়াল অপারেশন শুরু করে 1995 সালের জানুয়ারি মাসে। আর দুমাস পরেই এদের আইপিও হয়ে যায়। মাত্র দু মাসের মধ্যেই শেয়ারের দাম 300% বেড়ে যায়। এই ব্যাংকের শেয়ার কিনেই একসময় বিশাল মুনাফা লুটেছিলেন কিংবদন্তি ইনভেস্টার রাধাকৃষ্ণাণ দামানি

এই কোম্পানির আইপিও-র সময় যদি 10000 টাকা ইনভেস্ট করা হতো তাহলে তার ভ্যালু এখন 1 কোটিরও বেশি হতো। 

4. ইনফোসিস

টিসিএস এর মতো ইনফোসিস-ও খুব বড় একটা আইটি কোম্পানি। ভারতের আইটি কোম্পানি গুলোর মধ্যে এর স্থান দ্বিতীয়। এটিও নতুন ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য প্লেসমেন্টের একটা টপ চয়েস। চতুর্থ বৃহত্তম ভারতীয় কোম্পানি হিসেবে বর্তমানে এর মার্কেট ক্যাপ সাড়ে 6 লক্ষ কোটিরও বেশি।

এই কোম্পানিটা পুণেতে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন ওদের হেডকোয়ার্টার আছে ব্যাঙ্গালোরে। ভারত ছাড়াও আমেরিকা, চীন, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ইউরোপ ইত্যাদি বহু দেশেই এই কোম্পানি কাজ করে চলেছে।

এই কোম্পানির আইপিও হয়েছিল 1993 সালে। ওই সময় 10000 টাকায় এর শেয়ার কিনলে শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ও বোনাস শেয়ার সহ এখন তার ভ্যালু হত 15 কোটিরও বেশি!

5. হিন্দুস্তান ইউনিলিভার বা হুল

হিন্দুস্থান ইউনিলিভার বা হুল হচ্ছে ভারতের সবথেকে বড় কনজিউমার গুডস বা ভোগ্য পণ্যের কোম্পানি। এটা ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি ইউনিলিভার-এর এক সাবসিডিয়ারি। ভারতে ওদের উপস্থিতি 90 বছরের থেকেও বেশি। 90 শতাংশ ভারতীয় পরিবারে প্রতিদিনই এই কোম্পানির কোনও না কোনও প্রোডাক্ট ব্যবহৃত হয়। 6 লক্ষ কোটিরও বেশি মার্কেট ক্যাপ নিয়ে এই কোম্পানি এখন ভারতের পঞ্চম বৃহত্তম কোম্পানি।

আরও পড়ুনঃ  শেয়ার ট্রেডিং-এর সেরা 7 ইন্ডিকেটর। টেকনিক্যাল অ্যানালিসিসের ব্রম্ভাস্ত্র

14 টারও বেশি ক্যাটিগরিতে এই কোম্পানির 50-এরও বেশি সুপরিচিত প্রোডাক্ট ব্র্যান্ড বাজারে উপলব্ধ। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটা হল লাক্স, লাইফবয়, সার্ফ এক্সেল, রিন, পন্ডস, ভেসলিন, ল্যাকমি, ডাভ, ক্লিনিক প্লাস, পেপসোডেন্ট, ক্লোজআপ, এক্স, ট্রেসমি, ব্রুক বন্ড, ব্রু, কিসান, কোয়ালিটি ওয়ালস, হরলিক্স পিওরইট ইত্যাদি।

6. আইসিআইসিআই ব্যাংক

ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাইভেট ব্যাংক আইসিআইসিআই। সারা ভারতে এর 5000 এর থেকেও বেশি ব্রাঞ্চ এবং পৃথিবীব্যাপী 17 টা দেশে এদের উপস্থিতি আছে। ষষ্ঠ বৃহত্তম ভারতীয় কোম্পানি হিসাবে এর মার্কেট ক্যাপ প্রায় 6 লক্ষ কোটি।

7. হাউসিং ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন বা এইচডিএফসি

এইচডিএফসি ব্যাংকের রাস্তা যে পেরেন্ট কোম্পানির হাত ধরে শুরু হয়েছিল সেই পেরেন্ট কোম্পানি হল হাউসিং ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন বা এইচডিএফসি। এই এইচডিএফসি এবং এইচডিএফসি ব্যাংক রিলেটেড হলেও কিন্তু আসলে দুটো আলাদা কোম্পানি। এটি ভারতের সবথেকে বড় হাউসিং ফাইনান্স প্রোভাইডার। সপ্তম বৃহত্তম ভারতীয় কোম্পানি হিসেবে এখন এর মার্কেট ক্যাপ প্রায় 5 লক্ষ কোটি।

1977 সালে এর যাত্রা শুরু হয়। তখন থেকে এখন পর্যন্ত এর ব্যবসা বহুগুন বেড়েছে এবং ভারত ছাড়িয়ে কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, ইংল্যান্ড ইত্যাদি দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। 

8. স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া বা এসবিআই

ভারতের সবথেকে বড় পাবলিক সেক্টর ব্যাংক হল এসবিআই। সারা ভারতে এই ব্যাংকের 22000-এর থেকেও বেশি ব্রাঞ্চ আছে। বর্তমানে এর মার্কেট ক্যাপ 4 লক্ষ 80 হাজার কোটির বেশি। এবং এর বিচারে বর্তমানে এটি ভারতের অষ্টম বৃহত্তম কোম্পানি।

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম ব্যাংক ‘ব্যাংক অফ ক্যালকাটা’ হিসাবে 1806 সালে এর গোড়াপত্তন হয় ব্রিটিশাধীন কলকাতায়। তারপর 1809 সালে এটা নাম বদলে হয় ‘ব্যাংক অফ বেঙ্গল’। 1921 সালে এই ব্যাংক আরও কিছু ব্যাংকের সাথে মার্জ হয়ে তৈরি হয় ‘ইম্পেরিয়াল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া’। 1955 সালের পর থেকে এই ব্যাংক ‘স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া’ বা এস বি আই নামে পরিচিত হয়। এখন এসবিআই-এর প্রধান কার্যালয় মুম্বাইতে অবস্থিত।

এটি ভারতীয় ব্যাংক হলেও এখন 31-এরও বেশি দেশে 220-এরও বেশি কার্যালয় আছে। তার মধ্যে কয়েকটা উল্লেখযোগ্য দেশ হলো অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চীন, আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, বাংলাদেশ শ্রীলংকা ইত্যাদি।

9. ভারতী এয়ারটেল

কোম্পানির পুরো নাম ভারতী এয়ারটেল হলেও আমরা এই কোম্পানিকে এয়ারটেল নামেই চিনি। 2016 সালে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিসের জিও ঝড় আসার পর বেশিরভাগ অন্যান্য টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানিগুলো উড়ে গেলেও এটিই একমাত্র কোম্পানি যে জিওর সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে চলেছে এবং নিজের জমি ধরে থেকেছে। এবং জিওর পর এয়ারটেল-ই এখন ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার। 4 লক্ষ 40 হাজার কোটি মার্কেট ক্যাপ-এর সাথে এটি এখন ভারতের নবম বৃহত্তম কোম্পানি।

আরও পড়ুনঃ  মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের সুবিধা ও অসুবিধা। বিনিয়োগের আগে জানুন

এয়ারটেল ভারত ছাড়াও আরও 18 টা দেশে সার্ভিস প্রোভাইড করে। মোবাইল টেলিফোনি ও মোবাইল ইন্টারনেট ছাড়াও এদের ব্রডব্যান্ড, ডিজিটাল টেলিভিশন, ব্যাংকিং ইত্যাদি পরিষেবাও আছে।

10. লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া বা এলআইসি

লাইফ ইন্সুরেন্স কেনার সাথে এলআইসির নাম অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। এই কোম্পানির নাম এমন ভাবেই ভারতীয়দের মজ্জার মধ্যে ঢুকে গেছে যে লাইফ ইন্সুরেন্স করার কথা ভাবলে যে এলআইসি শব্দটা মাথায় আসে আমরা ভুলেই যাই যে সেই এলআইসি মানে লাইফ ইন্সুরেন্স নয়, এলআইসি আসলে ইন্সুরেন্সের একটা কোম্পানির নাম।

1956 সালে পার্লামেন্টে লাইফ ইন্সুরেন্স অফ ইন্ডিয়া আইন পাস হওয়ার পরে 245 টা ইন্সুরেন্স কোম্পানি মার্জ করে এই কোম্পানি তৈরি হয়েছিল।

বহু বছর এই কোম্পানি ভারত সরকারের অধীনে থাকার পর সম্প্রতি 2022 সালের মে মাসে এর আইপিও হয়। এখন শেয়ারের দাম অনুযায়ী এর মার্কেট ক্যাপ 4 লক্ষ 20 হাজার কোটি এবং এটি এই তালিকার শেষ তথা দশম বৃহত্তম ভারতীয় কোম্পানি।

শেষ করার আগে…

শেয়ারবাজারে শেয়ারের দাম নিত্য ওঠানামা করে এবং তার ওপর ভিত্তি করে এইসব কোম্পানির মার্কেট ক্যাপিটালও অনবরত বদলাতে থাকে আর তার সাথেই সেরা 10 তালিকায় এদের স্থানও পরিবর্তিত হতে থাকে।

তবে যে কোন মুহূর্তে সেরা 10-এ এই দশটা কোম্পানির স্থান যাই হোক, বা এরা সেরা 10-এর মধ্যে থাকুক আর না থাকুক, খুব উল্টোপাল্টা কিছু পরিবর্তন না হলে এই কোম্পানিগুলো আপাতত সেরাদের মধ্যেই থাকবে।

সম্পদ বানাতে হলে বা শেয়ার বাজারে কম ঝুঁকি নিয়ে ইনভেস্ট করতে হলে সরাসরি এদের শেয়ার কিনে বা ইনডেক্স ফান্ড এর মাধ্যমে এইসব কোম্পানিগুলোতে ইনভেস্ট করার কথা ভাবতেই হবে।

আজ তাহলে এখানেই শেষ করি। আরও আপডেট পেতে বেল বাটন থেকে নোটিফিকেশন অন করতে পারেন।

ভালো থাকবেন। টা টা 🙂

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী বা FAQs

মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন বা মার্কেট ক্যাপ কী?

কোনও কোম্পানির মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন হচ্ছে ওই কোম্পানিটার শেয়ারের দাম ও মোট শেয়ারের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমষ্টিগত ভ্যালুয়েশন।
মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন = শেয়ারের দাম * শেয়ারের সংখ্যা

মন্তব্য করুন